কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের বিচারে দেশের সেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা হিসেবে ফের উঠে এল পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম বা পিডিসিএল। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের কার্যকারিতার নিরিখে এই র্যাঙ্কিং করেছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের অধীন সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি। কেন্দ্রীয় সংস্থা এনটিপিসি, ডিভিসির পাশাপাশি আদানি পাওয়ার, রিলায়েন্স পাওয়ারের মতো বেসরকারি সংস্থাগুলিকে পিছনে ফেলে এই সাফল্য এসেছে। এছাড়া কেন্দ্রের বিচারে দেশের ২০১টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের অন্তর্গত সংস্থা সাঁওতালডিহি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। দু’নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে বক্রেশ্বরের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। দেশে চতুর্থ স্থানে জায়গা পেয়েছে সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। নবম স্থান পেয়েছে ব্যান্ডেল। এই সাফল্য টুইট করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সহায়তাতেই এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেও কেন্দ্রের বিচারে সেরা বিদ্যুৎ সংস্থা হিসেবে জায়গা পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম। সেরা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছিল সাঁওতালডিহি, বক্রেশ্বর ও সাগরদিঘি।
কোনও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা অনুযায়ী তারা বাস্তবে কতটা উৎপাদন করতে পারল, তার উপর নির্ভর করেই কেন্দ্রগুলির রেটিং করে সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি। একে বলে প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর বা পিএলএফ। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের নিরিখে বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের এই পিএলএফের হার ৮৮.৯ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সংস্থা এনটিপিসি’তে তা ৭৬.১ শতাংশ। ডিভিসিতে ৭৫.৭ শতাংশ। সাঁওতালডিহি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে তা ৯৪.৩৮ শতাংশ। দু’নম্বরে জায়গা করে নেওয়া বক্রেশ্বর কেন্দ্রটির পিএলএফ ৯৩.৩ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে যখন রাজ্যের বিদ্যুৎ সংস্থা ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি সেরার স্থান দখল করেছিল, তার চেয়ে তাদের কার্যকারিতা এখন আরও বেড়েছে। অর্থাৎ পিএলএফের হার আরও বাড়াতে সক্ষম হয়েছে তারা। কেন্দ্রীয় সরকার যে পরিসংখ্যান সামনে এনেছে, তাতে তা স্পষ্ট।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন