ফের স্তব্ধ ইউপিআই লেনদেন, ২০ দিনে ৩ বার, প্রশ্নে ডিজিটাল ইন্ডিয়া - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫

ফের স্তব্ধ ইউপিআই লেনদেন, ২০ দিনে ৩ বার, প্রশ্নে ডিজিটাল ইন্ডিয়া

 




নয়াদিল্লি: কর্মসংস্থান-আর্থিক বৃদ্ধি নয়, ‘আচ্ছে দিন’-এর মানদণ্ড এখন ডিজিটাল ইন্ডিয়া! দেশে প্রতিদিন কত ডিজিটাল লেনদেন হচ্ছে অথবা বছরে কত নতুন করে ইউপিআই অ্যাকাউন্ট চালু হল, সেই সংখ্যাধিক্যকেই ‘আচ্ছে দিনের’ তকমা দেওয়া অনেকদিন ধরে শুরু করেছে মোদি সরকার। এমনকী প্রধানমন্ত্রী তো সম্প্রতি থাইল্যান্ডে বিমস্টেক সম্মেলনে যোগ দিয়ে বলেছেন, এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে ভারতীয় ইউপিআই সিস্টেমকে সংযুক্ত করা যেতে পারে। গত ৪ এপ্রিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিকে এই অফার দিয়েছিলেন মোদি। আর ঠিক সাতদিন পর তাঁর নিজের দেশেই সকাল থেকে ফের স্তব্ধ হয়ে গেল ইউপিআই পরিষেবা। যদিও দিনটা শনিবার হওয়ায় দেশজুড়ে ইউপিআই বিপর্যয় থেকে সামান্য হলেও রক্ষা পেয়েছে শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্র। কিন্তু সবথেকে উদ্বেগজনক তথ্য হল, এই নিয়ে গত ২০ দিনের মধ্যে তিনবার বিঘ্নিত হল ভারতের ইউপিআই সিস্টেম। সেটা প্রযুক্তিগত কারণেই।


এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ইউপিআই লেনদেন বিঘ্নিত হওয়ার খবর আসে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার নেয় যে, দেশের অনলাইন আর্থিক লেনদেন প্রক্রিয়ার প্রধান পরিচালন সংস্থা পেমেন্ট কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে। বিবৃতিতে বলা হয়, টেকনিক্যাল ইস্যুতে  ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। যত শীঘ্র সম্ভব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু অর্থনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এত ঘন ঘন কেন বিপর্যস্ত হচ্ছে ইউপিআই ব্যবস্থা?


২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর থেকে মোদি সরকার সবথেকে বেশি জোর দিয়েছে অনলাইন আর্থিক লেনদেনে। ইউপিআইকে আর্থিক লেনদেনের প্রধান মাধ্যম বলা হচ্ছে। ২০১৭ সাল থেকে সংযুক্তিকরণের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা ২৭টি থেকে কমিয়ে ১২টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। আরও কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মোদি সরকারের। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং ঘোষণা করেছিলেন, দেশে ফিজিক্যাল ব্যাঙ্কিং কমে যাবে। ৭৫টি নতুন ডিজিটাল ব্যাঙ্ক স্থাপন হবে। ক্যাশলেস, ডিজিটাল লেনদেনের উপর ঠিক যত জোর দিচ্ছে সরকার, ততই পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে অনলাইন প্রতারণা। সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্কের সঞ্চয় আত্মসাৎ করে নেওয়ার প্রবণতা তুঙ্গে। 

জামতাড়া গ্যাংই হোক অথবা ডিজিটাল অ্যারেস্ট, নিত্যনতুন অনলাইন জালিয়াতির জেরে মানুষ রীতিমতো আতঙ্কিত। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে এভাবে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। এই মুহূর্তে দেশজুড়ে প্রত্যেকের মোবাইলে কলার টিউন বাজার আগে বাধ্য‌তামূলকভাবে গ্রাহকদের ডিজিটাল প্রতারণা নিয়ে সতর্কবার্তা দেয় সার্ভিস প্রোভাইডার সংস্থাগুলি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন