স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রীর স্কুলেও ৩ জনের চাকরি বাতিল! - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রীর স্কুলেও ৩ জনের চাকরি বাতিল!

 
 


বিধাননগর: স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মচারীর চাকরি বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই রায়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর স্কুলেও তিনজনের চাকরি বাতিল হয়েছে! তাতে পড়াশোনা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে লেকটাউনের নারায়ণদাস বাঙ্গুর মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাস স্কুল কর্তৃপক্ষ। কারণ, স্কুলের একমাত্র রসায়নের শিক্ষিকার চাকরি গিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে সেমেস্টার পরীক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তা তো রয়েছেই। সেই সঙ্গে মাধ্যমিকের ফলাফল বের হলে একাদশ শ্রেণিতে পিওর সায়েন্সে ছাত্র ভর্তি হওয়া নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে তিনজনের চাকরি যাওয়ায় মানসিকভাবে গোটা স্কুলেই বিষন্নতার ছায়া।

লেকটাউনের বাঙ্গুর অ্যাভিনিউয়ে রয়েছে নারায়ণদাস বাঙ্গুর মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাস স্কুল। এলাকার নামী স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন বহু কৃতী ব্যক্তি। রা঩জ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও এই স্কুলের প্রাক্তনী। তিনি ছাড়াও, রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, রাজ্য পুলিসের এক প্রাক্তন ডিজি এবং নাট্যকার, সাহিত্যিক প্রভৃতি অনেকেই রয়েছেন। বৃহস্পতিবারের রায়ে এই স্কুল থেকে রসায়ন বিষয়ের একমাত্র শিক্ষিকা, বাংলার শিক্ষক এবং একজন গ্রুপ-ডি কর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া বলেন, তিনজনই অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। আমরা সবাই মর্মাহত। কিছুদিন পর মাধ্যমিকের ফলাফল বেরলেই একাদশে ভর্তি হবে। আমি তো রসায়ন বিষয়ে কাউকে নিতেই পারব না! অর্থাৎ, পিওর সায়েন্সে ভর্তিতেই সংশয় হয়ে গেল। আচমকা কোথায় রসায়নের শিক্ষক পাব? পারিশ্রমিক দেওয়ার টাকাই-বা পাব কীভাবে? আমার স্কুলের বাংলা বিষয়ে পাঁচজন শিক্ষক। কিন্তু, আরও একজন দরকার ছিল। একটি পদও খালি আছে। উল্টে, একজন কমে গেল। ১২৮৫ জন ছাত্র নিয়ে এই স্কুল। সামাল দেব কীভাবে? তিনি বলেন, দু’জন গ্রুপ-ডি কর্মী ছিলেন। একজন শারীরিকভাবে অক্ষম। অপরজন যিনি ঘণ্টা দেওয়া থেকে কম্পিউটার চালানো, স্কুলের সমস্ত কাজ সামলাতেন, সেই দক্ষ গ্রুপ-ডি কর্মীই চলে গেলেন। এখন আমাকেই ঘণ্টা দিতে হবে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন