![]() |
নয়াদিল্লি: আইপিএলে শতরান হাঁকিয়ে রাতারাতি প্রচারের আলোয় প্রিয়াংশ আর্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়াররা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তরুণ তুর্কিকে। কিন্তু, দিল্লি ক্রিকেটের ভয়াবহ স্বজনপোষণে ডুবতে বসেছিল প্রিয়াংশের কেরিয়ারই। ডিসেম্বরে বিজয় হাজারে ট্রফিতে দিল্লির টিমে ছিলেন তিনি।
কিন্তু অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্টে ব্যর্থতার দোহাই দিয়ে আসর শুরুর একদিন আগে ছাঁটাই করা হয় বাঁ-হাতি ব্যাটারকে। সেদিন অসহায় প্রিয়াংশ পাশে পেয়েছিলেন ইশান্ত শর্মাকে। ডিডিসিএ প্রেসিডেন্ট রোহন জেটলির কাছে তাঁকে নিয়ে যান তারকা পেসার। তাতেই কাজ হয়। প্রিয়াংশ অবশ্য জাত চেনাতে সময় নেননি। কয়েকদিন পরই দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে করেন শতরান। সেই ইনিংসে এক ওভারে ছ’টি ছক্কাও হাঁকান। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে আসে সেঞ্চুরি। মেগা নিলামে ৩.৮ কোটি টাকায় তাঁকে নেয় পাঞ্জাব। সেই আস্থারই মর্যাদা রাখলেন তিনি।
প্রিয়াংশের কেরিয়ার বড় অবদান রয়েছে গৌতম গম্ভীরেরও। দু’জনেরই কোচ সঞ্জয় ভরদ্বাজ। সেখানেই প্রিয়াংশ নজরে পড়েন গম্ভীরের। প্রিয়াংশের বাবা পবন আর্যর কথায়, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে এক ম্যাচে প্রিয়াংশ ২৭১ করেছিল। তখন থেকেই গম্ভীর ওকে গাইড করে। প্রিয়াংশের প্রিয় ক্রিকেটারও কিন্তু গম্ভীর।’ প্রিয়াংশের বাবা ও মা দু’জনেই স্কুলশিক্ষক। কিন্তু পড়াশোনা নয়, ক্রিকেটেই মন ছিল তাঁর। বাবা শোনালেন, ‘রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমি স্টেডিয়ামেও গিয়েছিলাম। তবে সেদিন ও শূন্য রানে আউট হয়। টিভিতে ওর সেঞ্চুরি দেখার অনুভূতি বোঝাতে পারব না। ঠিক করেছি, এবার থেকে ওর সব ম্যাচ আমি টিভিতেই দেখব।’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন