বহরমপুর: সৌদি
আরবের তাবুক শহরে কাজে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে মুর্শিদাবাদের এক যুবকের। দুই
সপ্তাহ কাটতে চলল, দেহ ফেরাতে পারছে না পরিবার। আরবের একটি হাসপাতালে
সাফাইয়ের কাজে গিয়েছিলেন বহরমপুরের বোয়ালিয়াডাঙার বাসিন্দা শুভ হাজরা। গত
১২ এপ্রিল সেখানে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। দেহ ফেরাতে হিমশিম
খাচ্ছেন পরিবারের লোকেরা। পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া
নেমে এসেছে। শুভর বাড়িতে তাঁর মা ও বাবা ছেলেকে একবার দেখার জন্য আকুল
হয়ে আছেন। দেহ দেশে ফেরানোর জন্য বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্য চেয়েছে পরিবার।
দেহ দেশে আনার জন্য খরচ হয় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। সেই টাকা কিভাবে
জোগাড় করবে, বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা।
জানা গিয়েছে, বছর
দেড়েক আগে বহরমপুর থেকে সৌদিতে একটি হাসপাতালের সাফাইয়ের কাজে যান শুভ।
এই কাজ করার জন্য দালালের মাধ্যমে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে ওকে
বিদেশে পাঠিয়েছিল পরিবারের লোকেরা। সেখানে হাসপাতালে সাফ সাফাইয়ের কাজ করে
প্রতি মাসে বেতন পেতেন ১৩০০ রিয়াল। নিয়ম করে বাড়িতে টাকা পাঠাতেন শুভ।
তাঁর পাঠানো অর্থেই সংসার চলত। কয়েকদিন পর ছুটিতে বাড়ি আসার কথা ছিল তাঁর।
কিন্তু তাঁর আগেই শুভর মৃত্যু হল।
মৃতের বাবা সঞ্জয় হাজরা বলেন,
কয়েকদিন আগে জানতে পারলাম আমার ছেলে হার্ট অ্যাটাকে মারা গিয়েছে। তার
মৃতদেহ কিং খালেদ হাসপাতালে আছে। মৃত্যুর খবর দিয়েছে আমাদের বহরমপুরের অপর
এক যুবক। সেও ওখানে কাজ করে। কয়েকদিন পর বাড়িতে আসার কথা ছিল, অথচ তার
আগেই মৃত্যু হল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন