লড়াইয়ের আগে বন্ধুত্বের বার্তা ঋষভ-নারিনদের - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫

লড়াইয়ের আগে বন্ধুত্বের বার্তা ঋষভ-নারিনদের

 




কলকাতা: ইডেনের সবুজ গালিচায় গনগনে রোদে অনুশীলনে নেমে পড়েছে দুই দল। ক্লাব হাউসের বাঁ-দিকে ফুটবল খেলায় মগ্ন লখনউ সুপার জায়ান্টসের ক্রিকেটাররা। ডানদিকের নেটে গা ঘামাতে ব্যস্ত রাসেল, নারিনরা। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে খেলাটা রবিবার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা পিছিয়ে হবে মঙ্গলবার। এই ম্যাচ দুই দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেকেআর চারটি খেলে দু’টি জিতে রয়েছে পঞ্চম স্থানে। তার পরেই আছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। তারাও জিতেছে সমসংখ্যক ম্যাচ। ইডেনে জিতলেই প্রথম চারে ঢুকে পড়ার সুযোগ।

এই আবহে দুই শিবিরে যে রেষারেষির ছবি ধরা পড়া উচিত, তা কিন্তু দেখা গেল না। বরং অনুশীলনের শুরু থেকেই ফুটে উঠল সৌহার্দের ছবি। এ আর এমন কী! আরসিবি-কেকেআর ম্যাচের আগেও প্র্যাকটিসে দুই দলের ক্রিকেটারদের করমর্দন করতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু খেলায় ছিল জমজমাট লড়াই। কেকেআর-এলএসজি ম্যাচের উত্তাপ শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটারদের কতটা স্পর্শ করবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুটা সময়। তবে রবিবার বিকেলে ক্রিকেটের নন্দনকাননে যে দৃশ্য দেখা গেল, তা নজিরবিহীন বললে কম হবে। কেন? কারণ, স্পিনার রবি বিষ্ণোই, নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে লখনউয়ের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ সটান হাজির নাইটদের ডেরায়। তাঁদের দেখে এগিয়ে এলেন নারিন, রাসেলরা। সবুজ ঘাসে শরীর এলিয়ে চলল খোশ গল্প। পরে যোগ দিলেন রিঙ্কু সিং, হর্ষিত রানাও। জার্সির রং আলাদা না হলে বোঝা যেত না কারা কোন দলের। আইপিএলের মঞ্চে স্লেজিং তো জলভাত। ক্রিকেটাররা কখনও কখনও বাকবিতণ্ডায়ও জড়িয়ে পড়েন। মোটা আর্থিক জরিমানাও গুনতে হয়। মঙ্গলবারের ম্যাচে তেমন উত্তেজক মুহূর্ত তৈরি হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে ম্যাচের আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে দুই শিবিরে একটাই রিংটোন— ‘বন্ধু চল...।’

দুই দলের ক্রিকেটারদের ফুরফুরে মেজাজে থাকার নেপথ্যে গত ম্যাচের সাফল্য। আসলে দল জিতলে অনেক ভুলত্রুটিই ঢাকা পড়ে যায়। ঋষভ পন্থের অবস্থাও খানিকটা সেরকমই। ব্যাটে-বলে ঠিকমতো হচ্ছে না। নেমেই দ্রুত ফিরছেন ডাগ-আউটে। তা নিয়ে মোটেও বিচলিত নন বাঁ হাতি ব্যাটার। ইডেনে প্র্যাকটিসে এসে একবার ব্যাট ছুঁয়ে দেখলেন না। এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করে রিঙ্কু, রাসেলদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েই কাটিয়ে দিলেন সময়। দেখে মনে হবে, পঁচিশের আইপিএলে অরেঞ্জ ক্যাপের মালিক তিনি। খান তিনেক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। বাস্তব চিত্রটা অন্যরকম। চার ম্যাচে ঝুলিতে মোটে ১৯ রান। এতটা খারাপ ফর্মে তাঁকে বহুদিন দেখা যায়নি। অন্য যে কোনও ক্রিকেটার হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতেন নেটে। পরামর্শ করতেন কোচ ল্যাঙ্গারের সঙ্গে। কিন্তু ঋষভ এসবের ধার ধারেন না। তিনি যে ম্যাচ উইনার। পালে কীভাবে হাওয়া টানতে হয়, সেটা তাঁর ভালোই জানা। সারা বছর যারা পড়াশোনা করে, তাদের পরীক্ষার সময় রাত জেগে পড়তে হয় না। কেকেআর ম্যাচের আগে ঋষভের ভাবখানা সেরকমই। ফর্মে ফেরার ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন