বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের খড়্গপুরের ‘আস্তানা’ ফাঁকা করার নির্দেশ দিল রেল - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫

বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের খড়্গপুরের ‘আস্তানা’ ফাঁকা করার নির্দেশ দিল রেল

 


মেদিনীপুর: খড়্গপুর শহরে যে বাংলোকে ‘আস্তানা’ বানিয়ে  গেরুয়া শিবিরের যাবতীয় রাজনৈতিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, সেটি অবিলম্বে খালি করার জন্য নির্দেশ জারি করল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। রেলের প্যাসেঞ্জার সার্ভিস কমিটির সদস্য’র জন্য বরাদ্দকৃত ওই বাংলো গত ২০১৭ সাল থেকে ‘নিজের নিয়ন্ত্রণে’রেখেছেন দিলীপবাবু। তখন থেকেই খড়্গপুরের সাউথ সাইড এলাকায় ২৩০ বর্গ মিটারের ৬৭৭ নম্বর বাংলোর ‘বরাদ্দ’ যাঁর নামেই হোক না কেন, থাকছেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।  এখন যিনি বিধায়ক নন, নন সাংসদও। ২০১৭ সালে দিলীপবাবু যখন রেলের বাংলোয় ওঠেন, তখন সেটি মণীষা চট্টোপাধ্যায় নামে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য কমিটির এক সদস্যের নামে বরাদ্দ ছিল। 

এরপর ২০১৯ সালের গোড়ায় বাংলোটি বরাদ্দ হয় তুষারকান্তি ঘোষ নামে  প্যাসেঞ্জার সার্ভিস কমিটির এক সদস্যের নামে। বাংলো দ্রুত খালি করতে এবার তাঁকেই নোটিস পাঠিয়েছে রেল। খড়্গপুরের রেলের বাংলোকে ‘আস্তানা’ বানানোর অভিযোগ নিয়ে গত ৬ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ‘বর্তমান’ পত্রিকায়। সেই সময় দিলীপবাবুর প্রতিক্রিয়া ছিল—‘২০১৭ সাল থেকে রয়েছি। চারবার বরাদ্দ হয়েছে। পাঁচবার করিয়ে নেব।’ বাংলো কি তবে খালি করবেন না? বৃহস্পতিবার এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবাইকেই রেল এরকম নোটিস দেয়। সেরকম ফর্মালি একটা নোটিস দিয়েছে। রেলকে আমি বুঝে নেব। খড়্গপুরে রেলের জায়গায় তৃণমূল এসি বসিয়ে পার্টি অফিস চালাচ্ছে। ওদের সমস্ত জখবরদখল আগে ভাঙা হোক।’ 


প্রসঙ্গত, খড়্গপুর শহরে বরাদ্দ ৬৭৭ নম্বর এই বাংলোটিতে তুষারকান্তিবাবুর থাকার মেয়াদ ২০২০ সালের ৩১ মার্চ শেষ হয়ে যায়। রেলের ওই কমিটিও ভেঙে দেওয়া হয়। তারপর একাধিকবার রেলের তরফে নোটিস দেওয়া হলেও, বাংলোর দখল ছাড়া হয়নি। তুষারবাবুর বাড়ি কলকাতার কালীঘাট রোডে। তাঁকেই এবার চূড়ান্ত নোটিস দিয়ে বাংলো খালি করতে বলা হয়েছে। নোটিস পাঠিয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুরের এস্টেট অফিসার এম টি জোসেফ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন