লখনউ: ‘প্রেমের ফাঁদ পাতা ভূবনে/ কে কোথা ধরা পড়ে, কে জানে—’ আর তাই হয়তো দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ার প্রেমে পড়ে বছর ত্রিশের মহিলা। শুধু কি তাই? আগে দু’দুবার বিয়ে হয়েছিল তাঁর। সেই অভিজ্ঞতা সুখের নয়। তবে তিতিবিরক্ত হননি। নতুন করে প্রেমে পড়েছেন। সেই প্রেমকে পূর্ণতা দিয়েছেন বিয়েতে। তিন সন্তানের জননী শবনমের প্রেম ও তৃতীয় বিয়ে নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে উত্তরপ্রদেশজুড়ে। এখন আর তিনি শবনমও নন, ধর্ম বদলে হয়েছেন শিবানী।
উত্তরপ্রদেশের আমরোহার বাসিন্দা শবনম জন্ম থেকেই অনাথ। দেড় দশক আগে মিরাটে তাঁর বিয়ে হয়। তবে সেটা বেশিদিন টেকেনি।
এরপর তিনি বিয়ে করেন সৈদানওয়ালি গ্রামরি বাসিন্দা তৌফিককে। কিন্তু ২০১১ সালে পথ দুর্ঘটনার জেরে বিকলাঙ্গ হয়ে পড়েন শবনমের স্বামী। এরপর ১৮ বছরের স্কুল পড়ুয়ার সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই অবস্থায় তৌফিকের কাছে বিচ্ছেদ চান শবনম। গত শুক্রবার সেই বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। আর দেরি করেননি শবনম। ধর্ম বদলে হিন্দু হন। নাম নেন শিবানী। বুধবার সৈদানওয়ালি গ্রামেরই যুবক দ্বাদশের পড়ুয়ার সঙ্গে গ্রামের মন্দিরে বিয়েটাও সেরে নিয়েছেন। যুবকের বাবা দাতারাম সিং অবশ্য এই বিয়েকে সমর্থন করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা কেবল চাই ওরা একসঙ্গে থাকুক। সুখী হোক।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন