ওয়াশিংটন: গল্প-সিনেমার বাইরে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব কি সত্যিই আছে? এনিয়ে হাজার হাজার দিস্তা লেখা হলেও অকাট্য কোনও প্রমাণ কখনও মেলেনি। তার মধ্যেই সামনে এল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র একটি রিপোর্ট। সেখানে ঠান্ডা যুদ্ধের সময়ে ইউক্রেনে সোভিয়েত সেনা ও একটি ইউএফও-র (আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট) মধ্যে সংঘর্ষের বিবরণ রয়েছে। ২০০০ সাল নাগাদ সিআইএ-র সেই গোপন রিপোর্টটি প্রকাশ্যে আসে। এরপর কানাডিয়ান উইকলি ওয়ার্ল্ড নিউজ ও ইউক্রেনের সংবাদপত্র হলোস ইউক্রাইনিতে সম্প্রতি সেই রিপোর্টটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। আর তা প্রকাশের পরই শুরু হয় তুমুল হইচই। এমনকী বিখ্যাত মার্কিন পডকাস্ট ‘দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স’-এও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
রিপোর্ট
অনুযায়ী, একটি ফ্লাইং সসার লক্ষ্য করে গুলি চালায় সোভিয়েত সেনারা। পাল্টা
জবাব আসে ভিনগ্রহীদের তরফেও। এর পরেই ২৩ জন রুশ সেনাকে পাথরে রূপান্তরিত
করে উধাও হয়ে যায় ভিনগ্রহীরা। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরেই ২৫০
পাতার এই রিপোর্টটি হাতে আসে সিআইএ’র গোয়েন্দাদের। ওই ফাইলে
প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানের পাশাপাশি বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ছবিও ছিল। ওই গোপন
রিপোর্টে রুশ সেনাদের শরীরের কোষগুলোকে চুনাপাথরের মতো পদার্থে রূপান্তরিত
করার বিস্ময়কর বর্ণনা দেওয়া হয়। এক মার্কিন গোয়েন্দা ওই দৃশ্যটিকে
‘ভিনগ্রহীদের প্রতিশোধের এক ভয়াবহ চিত্র’ হিসেবেও বর্ণনা করেন বলেও
জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন