মহাদেবের স্নানযাত্রায় অশান্তি, ছাত্রকে কোপ, ব্যাপক উত্তেজনা - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

মহাদেবের স্নানযাত্রায় অশান্তি, ছাত্রকে কোপ, ব্যাপক উত্তেজনা

 মহাদেবের স্নানযাত্রায় অশান্তি, ছাত্রকে কোপ, কেতুগ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা

 কাটোয়া: কেতুগ্রামের উদ্ধারণপুরে শনিবার রাতে মহাদেবের স্নানযাত্রা ঘিরে ব্যাপক মারপিটের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। লাঠি, বাঁশ দিয়ে একে অপরকে বেধড়ক মারধর করে। এক কলেজ পড়ুয়াকে রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, রক্তাক্ত অবস্থায় জখম কলেজ পড়ুয়া তিলক মণ্ডলকে(২১) প্রথমে কেতুগ্রাম-২ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে। তারপরেই তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসক জানান, কলেজ পড়ুয়ার মাথায়, হাতে কোপানো হয়েছে। তিলকবাবু কাটোয়া কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের পড়ুয়া।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় গাজন শুরু হয়েছে। গাজন উপলক্ষ্যে এদিন মহাদেবের স্নানযাত্রা ছিল। প্রাচীন রীতি মেনে এদিন বিকেল থেকেই উদ্ধারণপুরে ভাগীরথীতে স্নানের জন্য জড়ো হন কাতারে কাতারে ভক্ত ও মানুষজন। উদ্ধারণপুরে প্রতি বছর মহাদেবের স্নানযাত্রা দেখতে বহু মানুষ ভিড় করেন। কেতুগ্রাম-২ ব্লকের গঙ্গাটিকুরি ধর্মরাজতলার বাসিন্দা ওই কলেজ পড়ুয়াও বন্ধুদের সঙ্গে স্নানযাত্রা দেখতে এসেছিলেন। সন্ধ্যে নাগাদ দু’পক্ষের মধ্যে মারপিট শুরু হয়। অনেকেই এদিন রামদা নিয়ে এসেছিল। মারপিটের সময় ওই কলেজ পড়ুয়া তাদের মাঝে পড়ে যায়। অভিযোগ, তাঁকে রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। শেষে কেতুগ্রাম থানার পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কলেজ পড়ুয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।


জখম কলেজ পড়ুয়ার খুড়তুতো দাদা ছোট্টু মণ্ডল বলেন, ভাই তার বন্ধুদের সঙ্গে স্নানযাত্রা দেখতে গিয়েছিল। সেখানে রামদা দিয়ে তাকে কোপানো হয়। কে কুপিয়েছে তা ওই এলাকার দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই চিহ্নিত করা যাবে। গাজনের স্নানযাত্রা দেখতে গিয়ে ভাই রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরল। বর্ধমানে ভাই মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। পুলিসের আরও সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল। আমরা কেতুগ্রাম থানার পুলিসকে জানিয়েছি। তিলকবাবুর বাবা স্বপন মণ্ডল চাষাবাদ করেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন