মালদহ: ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অভিযোগ সংক্রান্ত তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফের তলব করল রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি না করে বুধবারের মধ্যে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের কাছ থেকে ওই বিষয়টি সংক্রান্ত সমস্ত নথি পাঠাতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নির্দেশ অনুযায়ী দ্রুত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকার যাবতীয় নথি পাঠিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে। সম্ভব হলে বুধবারই ওই সব নথি রাজ্য পর্ষদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে।
মালদহের কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত মোট ২২ জন শিক্ষকের জাতিগত
শংসাপত্র ভুয়ো বলে অভিযোগ জমা পড়ে রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলে। বিষয়টির
তদন্তভার যায় ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (সিআইডি) অ্যান্টি করাপশন
ব্রাঞ্চের হাতে। ফেব্রুয়ারিতে ওই বিভাগের পক্ষ থেকে দু’জন আধিকারিক মালদহ
জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদে এসে প্রথমে দু’জন শিক্ষকের নথি দেখতে চান।
পরে সিআইডি’র তরফে আরও ২০ জন প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকার নথি চেয়ে পাঠানো হয়
রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের কাছে।
সংশ্লিষ্ট সার্কেলগুলির সাব ইনসপেক্টর অব স্কুলস (এসআই) ওই নথি সংগ্রহের
দায়িত্ব পান। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখনও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের তরফে
নথি পাঠানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তাই রাজ্য পর্ষদ বুধবাদের মধ্যে ওই সব
নথি তলব করেছে বলে প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।
মালদহ জেলা
প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারপার্সন বাসন্তী বর্মন বলেন, নথি সংগ্রহের
দায়িত্ব এসআইদের দেওয়া হয়েছে। হয়ত তাঁরা কাজ সেরেও ফেলেছেন। গত কয়েক দিন
আমার অফিসে যাওয়া হয়নি। বুধবার অফিসে গিয়েই বিষয়টির খোঁজ নেব। জেলা
প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক মলয় মণ্ডল বলেন, আমি যতদূর জানি বিষয়টি
সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য ইতিমধ্যেই আমাদের অফিসে চলে এসেছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন