রায়পুর: পঞ্চম দিন।
ছত্তিশগড়-তেলেঙ্গানা সীমানায় পাহাড়ি উপত্যকার জঙ্গলে চলছে মাওবাদী বিরোধী
অভিযান। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে অন্তত ১০ হাজার জওয়ান। তবে এখনও বড় ধরনের
কোনও সাফল্যের খবর মেলেনি। অপারেশনের দায়িত্বের থাকা এক আধিকারিক তাই
জানিয়েছেন, এটি হল টেস্ট ম্যাচের মতো। এটা অনেক দিন ধরে চলবে। আর প্রতি
সেশনে আপনাদের ভালো খবর দেওয়া যাবে না। কিন্তু আমরা আশাবাদী, খেলা শেষে ফল
আমাদের পক্ষেই যাবে। নিরাপত্তা বাহিনীর ওই শীর্ষস্থানীয় অফিসার জানান,
অন্তত ৫০০ জন মাওবাদী পার্বত্য এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন হিদমা
ও দামোদরের মতো শীর্ষ মাওবাদী নেতা। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আপারেশন।
কারণ এই অভিযানে মাওবাদীদের সামরিক শক্তিকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। অভিযানে
দণ্ডকারণ্য জোনাল কমিটি ও তেলেঙ্গানা রাজ্য কমিটির থিঙ্ক ট্যাঙ্ককে টার্গেট
করা হয়েছে। গোটা অভিযানে তেলেঙ্গানা পুলিসও সহযোগিতা করছে। জওয়ানরা কেউ
হতাহত হননি। তবে প্রবল গরম ও হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ায় বেশ কয়েকজনকে
হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। যদিও অভিযান চলছে। বাহিনী জানিয়েছে, যতক্ষণ না
সব মাওবাদীদের বাগে আনা যাচ্ছে, ততদিন লাগাতার অভিযান চলবে।
ছত্তিশগড়
পুলিস, জেলা রিজার্ভ গার্ড, বস্তার ফাইটার্স এবং এসটিএফের সঙ্গে এই অভিযানে
অংশ নিয়েছে সিআরপিএফ এবং বাহিনীর অন্যতম সেরা কোবরা ব্যাটালিয়ন। উদ্দেশ্য
একটাই। বস্তার ডিভিশনে বর্তমানে যতজন মাওবাদী সক্রিয় রয়েছে, তাদের সকলকে
সমূলে উৎপাটন করা। প্রশাসনের তরফে আগেই জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড় থেকে
মাওবাদীদের নির্মূল করার জন্য তারা যা করার করবে। পাশাপাশি এও জানানো হয়, এ
পর্যন্ত মাওবাদী বিরোধী যতগুলি অভিযান বস্তার জুড়ে হয়েছে, তার মধ্যে এটাই
সবচেয়ে বড়। মাওবাদীদের পালানোর কোনও পথ নেই বলেই দাবি বাহিনীর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন