লখনউ: বছর ছয়েক পর প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ!
সোমবার একানা স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে মহেন্দ্র সিং ধোনির ১১ বলে ২৬ নট আউট সেজন্যই হয়ে উঠছে তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে ৪৩ বছর বয়সে কেউ ম্যাচের সেরা হননি। সাত নম্বরে নেমে কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে জয়ের সরণিতে ফেরত আনার পাশাপাশি এই ইনিংসে ধোনি নিজের উপর চাপও কমিয়েছেন। ক্রিকেট মহলে তার আগেই ফিসফাস শোনা যাচ্ছিল মাহিকে নিয়ে। তাঁকে চেন্নাই সুপার কিংসের বোঝা হিসেবেও চিহ্নিত করছিলেন কেউ কেউ। এই ইনিংসের পর তা বন্ধ হওয়াই উচিত। টানা পাঁচ ম্যাচে পরাজয়ের দুঃস্বপ্নের পর আপাতত স্বস্তি সিএসকে শিবিরে। পরের ম্যাচ ২০ এপ্রিল ওয়াংখেড়েতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠ চিপকে ২৫ এপ্রিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামবেন রবীন্দ্র জাদেজা, শিবম দুবেরা।
অবশ্য সিএসকে’র দুশ্চিন্তা হোমম্যাচ নিয়েই। কোনও মতেই চিপক এখন আর চেন্নাইয়ের দুর্গ নয়। এই মরশুমে ঘরের মাঠে হারের হ্যাটট্রিক করেছে হলুদ ব্রিগেড। আর সেজন্যই ধোনির মুখে শোনা গিয়েছে হোম অ্যাডভান্টেজ পাওয়ার আকুতি, ‘চেন্নাইয়ের উইকেট সামান্য মন্থর। অ্যাওয়ে ম্যাচে তুলনায় বল পড়ে ব্যাটে আসছে। তাই ব্যাটসম্যানদের সুবিধা হচ্ছে। আমাদের এমন পিচেই খেলা উচিত যেখানে ব্যাটাররা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শট খেলতে পারে। ঘুমপাড়ানি ক্রিকেট খেলতে আমরা কেউই চাই না। ব্যাটসম্যানদের আরও ভালো খেলার ক্ষমতা রয়েছে। এই ম্যাচে ঠিক সেটাই দেখা গিয়েছে।’
আইপিএলের চলতি আসরে পাওয়ার প্লে’তে সমস্যায় পড়ছে চেন্নাই। মাহি তা স্বীকারও করেছেন, ‘হ্যাঁ, পাওয়ার প্লে’তে আমাদের বোলাররা সমস্যা পড়ছে। ব্যাটিংয়ের সময় স্কোরে বেশি রানও উঠছে না। হুড়মুড় করে উইকেটও পড়ে যাচ্ছে।’ সাত ম্যাচে মাত্র দুটোতে জিতেছে সিএসকে। সেই সম্পর্কে এমএসডি বলেছেন, ‘আইপিএলের মতো আসরে জেতা খুব দরকার। আগের ম্যাচগুলোতে আমরা হেরেই চলেছিলাম। এই জয়টা সেজন্যই স্বস্তির। এতে ক্রিকেটাররা আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। উন্নতির পথে চলার মোটিভেশন জোগাবে।’
ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়া নিয়ে অবশ্য নির্বিকার ধোনি। তাঁর কথায়, ‘আমায় কেন এই পুরস্কার দেওয়া হল বুঝলাম না। নুর আহমেদ তো অসাধারণ বল করেছিল।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন