পুনে: জঙ্গি হামলার তিন দিন আগেই সপরিবারে পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন পুনের বাসিন্দা সমাজকর্মী শ্রীজিত রমেশন। তখনও বোঝেননি বিপদ আশপাশেই ছিল। পর্যটকদের হত্যার পরে জঙ্গিদের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই চমকে যান শ্রীজিত। কারণ, বৈসরণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যে ভিডিও তুলেছিলেন, তাতে পড়েছে দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির চেহারা! স্থানীয় বাসিন্দাদের পোশাকে শ্রীজিতদের সামনে দিয়েই হেঁটে গিয়েছে তারা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছিল, ঘটনার আগে বৈসরণে ‘রেকি’ চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সেই সময়ই তাদের ছবি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই ওই ভিডিও এনআইএর হাতে তুলে দিয়েছেন শ্রীজিত।
পরে
সংবাদমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন পুনের ওই সমাজকর্মী। তিনি
বলেছেন, ‘আমরা ১৮ এপ্রিল বৈসরণ ভ্যালিতে যাই। সেখানে ঘোরাঘুরি করে বিকেলে
বেতাব ভ্যালি চলে গিয়েছিলাম। পুনেতে ফিরে জঙ্গি হামলার কথা জানতে পারি।
আমাদের শহরের দুই বাসিন্দাও তাতে মারা গিয়েছেন।’ শ্রীজিত আরও জানান,
সন্দেহভাজন জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ করার পর তাঁর খটকা লাগে। পরিবারের সদস্যদের
নিয়ে কাশ্মীর ভ্রমণের ছবিগুলি দেখতে বসেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজি
করে দুই সন্দেহভাজনের ভিডিও খুঁজে পান। শ্রীজিতের কথায়, ‘আমরা পহেলগাঁও ও
বেতাব ভ্যালির ছবি-ভিডিও দেখছিলাম। আমার মেয়ে রিল বানানোর জন্য একটি ভিডিও
তুলেছিল। সেই ভিডিওতেই দু’জনকে দেখতে পাই। ওদের দেখে তখন আমার সন্দেহ
হয়েছিল। কিন্তু তারা যে জঙ্গি হতে পারে, নিরাপত্তা বাহিনী সন্দেহভাজনদের
ছবি প্রকাশ করার আগে পর্যন্ত বুঝতে পারিনি।’ গত ১৮ এপ্রিল দুপুর আড়াইটে
নাগাদ ওই ভিডিও তোলা হয়েছিল। তবে শ্রীজিতও জানিয়েছেন, বৈসরণে নিরাপত্তা
বাহিনীর কাউকে দেখতে পাননি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন