ধূপগুড়ি:
মাইক্রোফিনান্স কোম্পানি থেকে ঋণগ্রস্ত গ্রাহকদের কিস্তির টাকা হাতিয়ে উধাও
ম্যানেজার। মাথায় হাত ধূপগুড়ির কয়েকজন মহিলার।
ধূপগুড়ির
বৈরাতিগুড়ি সংহতি নগরে অবস্থিত একটি মাইক্রোফিনান্স কোম্পানি থেকে ঋণ নেন
কয়েকজন মহিলা। অভিযোগ, এই কোম্পানির ম্যানেজার মহিলাদের বলেছিলেন, শীঘ্রই
শেষ দুই কিস্তি দিয়ে ঋণ পরিশোধ করলে তারা ফের লোন পাবেন। এরপর জনা দশকের
মতো মহিলা কেউ ৮ হাজার, কেউ দশ হাজার টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করেন। কিন্তু,
হঠাত্ই তাদের কাছে ঋণ পরিশোধ না করার নোটিস আসে। শুক্রবার মহিলারা একত্রিত
হয়ে এই মাইক্রোফিনান্স কোম্পানির সামনে এসে বিক্ষোভ দেখান। এরপর কেঁচো
খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়ে। অফিস সূত্রে তাঁরা জানতে পারেন, আগের
ম্যানেজার বিভিন্নভাবে মহিলাদের থেকে টাকা তুলে প্রতারিত করত। এমনকি জাল
রশিদ ধরিয়ে দিত। এই ব্যাপারে বর্তমান ম্যানেজার প্রসেনজিৎ সরকার বলেন, আগের
ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে কোম্পানি এফআইআর করেছে। আমি
নতুন এসেছি। আমি পুরনো ব্যাপারে কিছু জানি না। আগের ম্যানেজার পলাতক।
এদিকে
ঋণ পরিশোধের জন্য টাকা দিয়ে মাথায় হাত মহিলাদের। কাবেরী রায় নামে এক
মহিলা বলেন, আমি ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। ম্যানেজার বলেছিল, দুই
কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে পারলে পরবর্তীতে আরও মোটা অঙ্কের ঋণ দেওয়া হবে।
এই বুঝে আমার দুই কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করি। রীনা পারভিন নামে এক মহিলা
বলেন, প্রায় ১০ জনের মত মহিলা দুই কিস্তিতে কেউ আট হাজার কেউ ১০ হাজার
টাকা করে ঋণ পরিশোধ করেছেন। আমাদের রশিদও দিয়েছে। এখন জানতে পারলাম সেই
রশিদ জাল। অন্যদিকে কোম্পানি থেকে আদালতের নোটিস এসেছে। কী করব বুঝতে পারছি
না। অভিযুক্তর তরফে কোনও বক্তব্য এদিন পাওয়া যায়নি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন