কাকদ্বীপ: কাশ্মীরের ঘটনার পর নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি করা হল সুন্দরবনের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। দিনরাতজুড়ে নজরদারি চলছে। এখন প্রতিদিন নদীপথে কোস্টাল থানার পুলিস রুটিন মেনে টহল দিচ্ছে। রাতে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে স্থলপথে নজরদারি চলছে। বিশেষত নদীপথে কোনও জলযান দেখলে দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস। জলযানে থাকা মৎস্যজীবীদের পরিচয়পত্র দেখার কাজ চলছে। এখন নদী বা সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি আছে। ফলে আগামী দু’মাস ধরে নদী ও সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের জলযান চলাচল করার কথা নয়। ফলে কোনও জলযান দেখলেই পুলিস সেটিকে সন্দেহের তালিকায় রাখছে। নথিপত্র ভালো করে যাচাই করার পর তবে সেটিকে ছাড়া হচ্ছে। সুন্দরবনের উপর দিয়ে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক জলপথ বয়ে গিয়েছে। সেগুলির উপরও বিশেষভাবে নজর রাখছে পুলিস। সুন্দরবন পুলিস জেলার সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, ‘অতীতেও উপকূলবর্তী এলাকায় পুলিস নজরদারি চালাত। এখনও নিরাপত্তায় জোর দিতে নজরদারি বৃদ্ধি হয়েছে। প্রতিদিন দু’বেলা নদী ও স্থলপথে পুলিসের টহল চলছে। জেটিঘাটগুলিতেও নাকা চেকিং হচ্ছে। সন্দেহজনক কোনও জলযান দেখলেই হচ্ছে তল্লাশি।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন