এমন মারব, ভাবতেও পারছে না, হুঙ্কার মোদির, রাফাল-সুখোই নিয়ে ‘আক্রমণ’ প্রস্তুতি বায়ুসেনার - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

এমন মারব, ভাবতেও পারছে না, হুঙ্কার মোদির, রাফাল-সুখোই নিয়ে ‘আক্রমণ’ প্রস্তুতি বায়ুসেনার

এমন মারব, ভাবতেও পারছে না, হুঙ্কার মোদির, রাফাল-সুখোই নিয়ে ‘আক্রমণ’ প্রস্তুতি বায়ুসেনার

 

 

 

নয়াদিল্লি: ‘কোথায় যাবে? পৃথিবীর শেষ প্রান্তেও ঠিক খুঁজে বের করব। পহেলগাঁওয়ে এই ঘৃণ্য গণহত্যা যারা ঘটিয়েছে, সেই জঙ্গি এবং চক্রান্তকারীদের কেমন সাজা হবে, সেটা তারা কল্পনাও করতে পারছে না। সাধারণ নিরীহ মানুষের এই প্রাণহানিতে গোটা ভারত যন্ত্রণাবিদ্ধ। তাই সাজা হবেই।’ এই কঠোর হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বিহারের মধুবনীর সভা থেকে মোদি বললেন, ‘১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে বলছি, একজনও দোষী ছাড় পাবে না।’

 
পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর বুধবার সকালে মোদি সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ‘এই নিরীহ মানুষের আত্মবলিদান বৃথা যাবে না।’ কিন্তু মুখে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। বিহারে আর কয়েক মাস পরই বিধানসভার ভোট। কানপুরে মোদির অনুষ্ঠান থাকলেও সেটি তিনি বাতিল করেছেন। কিন্তু বিহারের মধুবনীর অনুষ্ঠান নয়। বিহারের পঞ্চায়েতি রাজ দিবসে ১৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করেন তিনি। এবং বেনজিরভাবে ‘গোটা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার জন্য’ ইংরেজিতে বলেন, ‘এই বিহারের মাটিতে দাঁড়িয়ে বলছি শুনুন। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে রাখছি, ওই অপরাধী এবং তাদের পিছনে থাকা প্রকৃত চক্রান্তকারীদের ভারত চিহ্নিত করবে, খুঁজে বের করবে, শাস্তি দেবে। এমন শাস্তি দেব, তারা ভাবতেও পারছে না। সন্ত্রাস ভারতের আত্মাকে ধ্বংস করতে পারবে না। বিচার আমাদের চাই। গোটা দেশ এই শপথ নিয়েছে।’ 


একদিকে মোদি বিহার থেকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আর তারপরই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেখা করতে চলে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। কেন? পদাধিকারবলে ভারতের সামরিক বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ রাষ্ট্রপতি। সুতরাং যে কোনও মিলিটারি অপারেশনের আগে আনুষ্ঠানিক প্রোটোকল অনুযায়ী সবুজ সংকেত তিনিই দেবেন। এই সিদ্ধান্ত তিনি গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের পরামর্শে। এখানেই শেষ নয়, বিকেলে দিল্লির সর্বদলীয় বৈঠকে প্রত্যেক দলের পক্ষ থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—দেশের নিরাপত্তা এবং সম্মান রক্ষায় সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, সকলে সঙ্গে আছে। এরপরই বায়ুসেনার সেন্ট্রাল কমান্ডে শুরু হয়ে গিয়েছে ‘আক্রমণ’ প্রস্তুতি। এই নামেই চলছে মহড়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে রাফাল-সুখোই। নজর করার মতো বিষয় হল, অপারেশন বালাকোটে  এয়ার স্ট্রাইক হয়েছিল এই সেন্ট্রাল কমান্ডের গোয়ালিয়র থেকেই। তাই জল্পনা বাড়ছে। পাশাপাশি, দু’দিন ধরে রাজস্থান ও পাঞ্জাবে চপার থেকে দড়ি বেয়ে নামার মহড়া চালিয়েছে কমান্ডো বাহিনী। দিনের আলোয়। এবং রাতেও। সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড একে বলছে হেলিবোর্ন অপারেশন। বুধবার মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকেই স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ওটাই জবাব। সরাসরি সামরিক জবাব দেওয়ার জন্য ভারত তৈরি হচ্ছে। এই প্রস্তুতিই তার প্রমাণ। জানা যাচ্ছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারত টার্গেট করছে। হট পারস্যুট অথবা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক—সব রাস্তাই খোলা রাখা হচ্ছে। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন