ওয়াশিংটন: গাজায় ইজরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে লোহিত সাগর। বেছে বেছে ইজিরায়েলের বন্ধু দেশগুলির বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে হুথিরা। ইরান মদতপুষ্ট এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাত থেকে রক্ষা পায়নি আমেরিকা-ব্রিটেন। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ওয়াশিংটন। দিয়েগো গার্সিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ছ’টি বি-২ স্টেলথ বম্বার মোতায়েন করেছে মার্কিন সেনা। ইরানের উপকূল থেকে মাত্র ২ হাজার ৪০০ মাইল দূরে এই নির্জন দ্বীপ।
উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে মার্কিন বোমারু বিমানের চিত্র। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শুধু হুথিদের নয়। একইসঙ্গে ইরানকে শায়েস্তা করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রসঙ্গত, পরমাণু চুক্তি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে হোয়াইট হাউস। এবিষয়ে ইরানকে দু’মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে আমেরিকা। রাজি না হলে সামরিক হামলার হুমকি পর্যন্ত দিয়ে রেখেছে ওয়াশিংটন। জবাবে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের ছবি প্রকাশ করেছে তেহরান।
এরইমধ্যে শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে হুথিদের উপর হামলার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইসঙ্গে তাঁর বার্তা, ‘হুথিরা পরবর্তী হামলা নিয়ে নির্দেশের জন্য একজোট হয়েছিল। তবে এখন তো আর কোনও হামলা হবে না। ওরা আর আমাদের জাহাজ ডোবানোর সাহস দেখাবে না।’
দিয়েগো গার্সিয়ার বিমান ঘাঁটির দায়িত্বে রয়েছে ব্রিটিশ ও মার্কিন সেনা। একাধিক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান থাকতে কেন বি-২ ব্যবহার করছে ওয়াশিংটন। কারণটা অত্যন্ত সহজ। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এর চেয়ে ভালো যুদ্ধবিমান বিশ্বে নেই। পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে গিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম এই শক্তিশালী বোমারু বিমান।এখনও পর্যন্ত কোনও যুদ্ধে শত্রুর পাল্টা আক্রমণের শিকার হয়নি ‘আকাশের ভূত’। তবে শুধু ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী নয়। বোমারু বিমান মোতায়েন রেখে ইরানকেও কড়া বার্তা দিতে চাইছে আমেরিকা। এদিকে, তেল আভিভে হামলা জারি রেখেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী। সম্প্রতি একটি মার্কিন-ইজরায়েলি ড্রোন ধ্বংস করেছে ওয়াইএএফ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন