৩ নয়, ২ মাসেই নিয়োগ! যোগ্যদের প্রতিশ্রুতি SSC কর্তার - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫

৩ নয়, ২ মাসেই নিয়োগ! যোগ্যদের প্রতিশ্রুতি SSC কর্তার




কলকাতা: তিন মাসে তো বটেই, প্রয়োজনে দু’মাসে সম্পন্ন হবে সিংহভাগ নিয়োগ। যোগ্য চাকরিহারাদের এই ভাষাতেই আশ্বস্ত করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শনিবার এই দাবি করেন কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার।বাংলার জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘বর্তমান’-কে তিনি জানিয়েছেন, সরকারের ইচ্ছানুযায়ী কমিশন কাজ করতে সর্বদাই প্রস্তুত। তিন মাসের মধ্যে মেধা তালিকা প্রকাশ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু তো হবেই। এমনকী, দু’মাসের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার চেষ্টা হবে।

সিদ্ধার্থবাবুর বক্তব্য, শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর একটি মন্তব্য নিয়ে প্রকাশিত খবরে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, তিন মাসের মধ্যে এই নিয়োগ সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। এদিন তার ব্যাখ্যা দিয়ে সিদ্ধার্থবাবু বলেন, ‘একটি নিয়োগ প্যানেলের বৈধতা থাকে এক বছর। তাই ততদিন পর্যন্ত নিয়োগ পুরোপুরি সমাপ্ত বলে দাবি করা যায় না। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে এই ব্যাখ্যাই দিয়েছিলাম।’ যদিও সিংহভাগ নিয়োগ তিনমাস, এমনকী দু’মাসের মধ্যেই শেষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। এসএসসি এবং আদালতের বিচারে সরাসরি অযোগ্যদের বাদ দিয়েই চলবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া।

প্রসঙ্গত, অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে যাঁরা নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক এবং গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মী পদে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের তিন মাসের মধ্যে পুরনো জায়গায় ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। সিদ্ধার্থবাবুর যুক্তি ছিল, বাকি যোগ্যদের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ নেই। তাই বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাড়তি কিছু সময় লাগবে। যদিও মানবিক মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, তিন মাসের মধ্যেই সবাইকে নিয়োগ করবে সরকার। সেই মতো কমিশনও তিন মাসের ডেডলাইন ধরে এগতে শুরু করেছে। আরও আগে, অর্থাৎ দু’মাসের মধ্যেই নিয়োগ শেষ করা যায় কি না, সেই চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

৭ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরিহারাদের বক্তব্য শোনার জন্য নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকছেন। সেখানে চাকরিহারাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখভালের জন্য শাসক দলের শিক্ষক সংগঠনগুলি দায়িত্ব পেয়েছে। যদিও অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপা’র অন্যতম শীর্ষনেতা ও যাদবপুরের অধ্যাপক সেলিম বক্স মল্লিক বলেন, ‘প্রার্থীদের যাতে গেট চিনে হলে পৌঁছতে অসুবিধা না হয়, সেটাই দেখব। বাকিটা প্রশাসন এবং আগত প্রার্থীদের বিষয়।’

এদিকে, এদিন কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চাকরিহারাদের নিয়ে ২১ এপ্রিল নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে কয়েকটি সংগঠন। তাদের দাবি, ১২টি সংগঠন একত্রে এই অভিযান করবে। তবে ১৫ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করার লিখিত আশ্বাস দিলে অভিযান বাতিল করা হবে। যদিও যোগ্য চাকরিহারাদের যাবতীয় আগ্রহ, আশা-ভরসা এখন আবর্তিত হচ্ছে ৭ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে। এখনই কোনও রাজনীতির ফাঁদে পা দিতে রাজি নন তাঁরা। বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে এই সভায় যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন, তাতে অনেকটাই আশ্বস্ত চাকরিহারারা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন