আসানসোল: পূর্ব রেলের উদ্যোগে মঙ্গলবার আসানসোলের বেসরকারি হলে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। আসানসোল ও মালদা ডিভিশনাল কমিটির বৈঠকে পূর্ব রেলে জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেউস্কর সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি সহ কমিটির সদস্যদের রেলের সাফল্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আসানসোলের এমপি শত্রুঘ্ন সিনহা। তিনি দাবি করেন, রেলকে আরও বেশি করে স্থানীয় যাত্রীদের দাবির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। মহিলা যাত্রীদের সুবিধার জন্য ফিডিং রুম, বয়স্কদের জন্য আরও বেশি করে এক্সেলেটর ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।
এদিনের বৈঠকে বীরভূমের এমপি শতাব্দী রায়ের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন রাধাবল্লভ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এমপির পক্ষ থেকে অণ্ডাল-সাঁইথিয়া আরও একটি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের দাবি জানানো হয়েছিল। রেলের কর্তারা আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন। শীঘ্রই তা চালু হবে। এছাড়াও আমরা সিউড়ি শিয়ালদহ মেমু ইএমইউ ট্রেনে এলএইচবি কোচ দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।
ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেসের অতিরিক্ত
এসি কোচ ও দুবরাজপুর স্টেশনের উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছে। পূর্ব রেলের
মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত বলেন, নতুন মেমু ট্রেন চালানো নিয়ে
রেল অত্যন্ত সদর্থকভাবে ভাবনাচিন্তা করছে। অণ্ডাল-সাইথিয়া রেল লাইন
পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের বাসিন্দাদের যোগাযোগের অন্যতম লাইফলাইন।
অণ্ডাল থেকে কাজোড়া, উখরা, পাণ্ডবেশ্বর হয়ে ট্রেন প্রবেশ করে বীরভূমে।
সেখানেও দুবরাজপুর, সিউড়ি, সাঁইথিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রয়েছে।
নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ যাত্রীরা যাতায়াতের এই পথ ব্যবহার করেন। এই রুটে
পাঁচ জোড়া মেমু ট্রেন চলাচল করে।
সকাল সাড়ে আটটায় অণ্ডাল থেকে একটি মেমু
ট্রেন ছাড়ে। পরবর্তী মেমু ট্রেনটি ছাড়ে দুপুর দু’টোয়। তার মাঝে এই মেমু
ট্রেন চালানোর দাবি যাত্রীরা দীর্ঘদিন জানিয়ে আসছেন। সেই দাবিই পূরণ হতে
চলেছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার রেলের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে
শত্রুঘ্ন সিনহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এমপি খলিলুর রহমান, গিরিধারী যাদব,
খগেন মুর্মু, সরফরাজ আহমেদ, নলিন সোরেন। সেখানে দুই ডিভিশনে রেল কী কী কাজ
করেছে তা তুলে ধরা হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন