‘অপারেশন সিন্দুর’ পর্বে জারি ছুটি বাতিলের বিজ্ঞপ্তি এখনও বহাল, অসন্তোষ কর্মী মহলে, সুবিচারে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আস্থা - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫

‘অপারেশন সিন্দুর’ পর্বে জারি ছুটি বাতিলের বিজ্ঞপ্তি এখনও বহাল, অসন্তোষ কর্মী মহলে, সুবিচারে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আস্থা

 


কলকাতা: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আপত্কালীন ভিত্তিতে দেশের সমস্ত অঙ্গ রাজ্যগুলি সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করেছিল। সেই সূত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকার একইভাবে কর্মীদের ছুটি নেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। 

তবে দু’দেশের তরফে আন্তর্জাতিক সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে সদর্থক উদ্যোগ নেওয়ার বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকে চলতি সপ্তাহে একাধিক রাজ্য সরকার ছুটি সংক্রান্ত সেই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। কিন্তু নবান্নের তরফে যুদ্ধকালীন আবহে জারি হওয়া সরকারি কর্মীদের ছুটির নিষেধাজ্ঞা এখনও লাগু রয়েছে। যার জেরে কর্মী মহলে তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। শুধু তাই নয়, এই সিদ্ধান্তের জেরে ভিন রাজ্য কিংবা বিদেশে নিকট আত্মীয় কাছে যাওয়া থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে রাজ্যের বহু সরকারি কর্মী।


এ প্রসঙ্গে অর্থ দপ্তরের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যেই ছাপোষা রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিদেশ যাত্রার যুগান্তকারী সুযোগ হয়েছে। সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাজার হাজার কর্মী ইতিমধ্যেই ঘুরে এসেছেন। সরকার প্লেন কিংবা জাহাজের ভাড়া বহন করে। রাজকোষের হাল চরম দুর্বল হলেও, সরকারি কর্মী-অফিসারদের ঘুরতে যাওয়ার খরচের জোগান ধারাবাহিক জুগিয়ে আসছে নবান্ন। ওই কর্তা আরও বলেন, যুদ্ধ জিগিরে জারি হওয়া আদেশনামা কার্যকর হওয়ার আগে বহু কর্মী আগাম ছুটির আবেদন করেছিলেন। সেই মতো ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। যাতায়াতের টিকিট কেটে অগ্রিম টাকাও তুলে নিয়েছিলেন। সরকারি নিয়ম 
অনুসারে যাত্রা শেষে ফিরে এসে বাকি খরচের হিসেব সহ আবেদন করলে, পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে বাকি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়। 

এক্ষেত্রে সমস্যা হল, ওই বিধি নিষেধের সৌজন্যে অগ্রিম হিসেবে টাকা তুলে নেওয়া কর্মীদের ছুটিতে কোপ পড়ছে। তার জেরে তিনি ঘুরতে যেতেই পারছেন না। স্বভাবতই রিএম্বার্সমেন্টের জন্য ওই কর্মীরা আবেদনই করতে পারবেন না। ফলে অগ্রিম হিসেবে নেওয়া টাকা নিজেদের পকেট থেকে  গুনতে হচ্ছে কর্মীদের। একইভাবে উচ্চপদস্থ বহু অফিসার নিয়ম মেনে ছুটির আবেদন করেও এই গেরোয় আটকে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত ট্যুরের জন্য এক্ষেত্রে অনেকেই আগাম প্লেনের টিকিট কিংবা হোটেল বুকিং করে রেখেছিলেন। তাঁদেরও মোটা টাকা গচ্চা যাচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন