নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ের পর পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দিয়েছিল ভারত। জঙ্গিদের ঘরে ঢুকে খতম করতে অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন সিন্দুর। তারপর থেকে চর্চায় সিন্দুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাতেও অনেকাংশ জুড়ে রইল তারই কথা। অপারেশন সিন্দুর শুধুমাত্র একটি সামরিক অপারেশন নয়, বিশ্বমঞ্চে পাল্টে দিয়েছে ভারতের ভাবমূর্তি। ভারতের সাহস, সংকল্প ও দেশের ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রতিফলন ঘটেছে। সেনাবাহিনীর অসামান্য বীরত্ব গোটা দেশকে গর্বিত করেছে। তিরঙ্গা যাত্রা, গান ও কবিতা লেখা সব মিলিয়ে দেশাত্মোধের আবহ তৈরি হয়েছে।
সেনাবাহিনীর অপারেশনকে সম্মান জানিয়ে কুশীনগর ও কাটিহারে সদ্যোজাতদের নাম সিন্দুরও রাখা হয়েছে। এপ্রসঙ্গে ‘আত্ম নির্ভর’ ভারতের কথা উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি বলেন, দেশীয় অস্ত্র, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করেই সাফল্য এসেছে। যা আমাদের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নতুনভাবে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। প্রযুক্তিবিদ, ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রতিটি দেশবাসী মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছেন বলেই আজ আমরা বিজয় অর্জন করেছি।
শিক্ষা, বিজ্ঞান চর্চা ও উন্নয়নের মাধ্যমে আজ মহরাষ্ট্রে গড়চিরৌলি ও ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ার মতো মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিবর্তন এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, গড়চিরৌলির কাটেঝারি গ্রামে প্রথমবার বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। মাওবাদী হিংসার কারণে সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ছিল। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বাস পরিষেবাকে স্বাগত জানিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি তিনি বলেন, পরিবেশের উন্নতির কারণে গুজরাতের গির অরণ্যে সিংহের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৯১। সেইসঙ্গে বনদপ্তরে মহিলা কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে। যা নারী ক্ষমতায়নের প্রতীক।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন