মহাকাশে বসতি! মাধ্যাকর্ষণবিহীন পরিবেশে মহড়ায় বাঙালি বিজ্ঞানী - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

মহাকাশে বসতি! মাধ্যাকর্ষণবিহীন পরিবেশে মহড়ায় বাঙালি বিজ্ঞানী


মহাকাশে বসতি! মাধ্যাকর্ষণবিহীন পরিবেশে মহড়ায় বাঙালি বিজ্ঞানী

 কলকাতা: মানুষের ইচ্ছার শেষ নেই! পৃথিবী জয়ের পর ইচ্ছা মহাকাশ বিজয়ের! সেখানেও গড়ে উঠবে বসতি! কিন্তু ইচ্ছা থাকলেই তো হল না! সেই পরিবেশে থাকার অনুকূল হয়ে উঠতে হবে মানুষকে। তাহলে উপায় কী? তা খুঁজে বার করতেই এবার বিশেষ ধরনের বিমানে মহাকাশের মতো কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে হাতেকলমে গবেষণা চালালেন ভারত এবং ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের দলে রয়েছেন সপ্তর্ষি বসু নামে এক বাঙালি প্রফেসরও।


১৬-১৮ এপ্রিল ফ্রান্সের বোর্ডুতে বিশেষ বিমানে হয়ে গেল এই গবেষণা। দ্যা ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, ফ্রান্সের সরকারি মহাকাশ বিজ্ঞান সংস্থা এবং নভোস্পেস যৌথভাবে পরিচালনা করে গবেষণাটি। ‘প্যারাবলিক ফ্লাইট’-এর জন্য প্রস্তুত বিশেষ বিমানটি চালান‌ এক ফরাসি মহাকাশচারী। বিমান চলাকালীন মহাকাশের মতো পরিস্থিতি কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে কখনও এমন অবস্থা সৃষ্টি করা হয়, যাতে মনে হয় তাঁদের ওজন বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। কখনও আবার প্রায় মাধ্যাকর্ষণ-শূন্য পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। যে ধরনের বিমানযাত্রায় এমন পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব, তাকেই বলা হয় ‘প্যারাবলিক ফ্লাইট’। 

গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি’র চেয়ার প্রফেসর  সপ্তর্ষি বসু, সহযোগী প্রফেসর অলক কুমার, ফরাসি বিজ্ঞানী প্রফেসর ডেভিড ব্রুটিন এবং ফরাসি মহাকাশচারী থমাস পেসকোয়েট। এবারের গবেষণার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র মহাকাশের মতো পরিস্থিতি তৈরি করাই ছিল না। সেখানে বসতি স্থাপন করলে যাতে ওই পরিবেশের উপযোগী সামগ্রী তৈরি করা যায়, তারও মহড়া চলে। বিজ্ঞানীদের দলটি দু’টি বিষয় নিয়ে কাজ করেছে। প্রথমত, ড্রপলেট বা অনুকণা দিয়ে বায়ো প্রিন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশে বায়ো ব্রিক বা জৈব ইট তৈরি করা। 

দ্বিতীয়ত, একই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বায়ো অর্গান তৈরি। ডঃ বসু বলেন, ‘মহাকাশে সাম্রাজ্য স্থাপন করতে গেলে তো বাড়ি করতে হবে! এখানকার ইট আমরা ওখানে পাব কোথায়? দ্বিতীয়ত, যাঁরা থাকবেন ওখানে, বিপদে-আপদে কোন‌ও অঙ্গহানি বা কোন সমস্যা হলে কী করেই বা তার ঝটপট প্রতিকার সম্ভব? পৃথিবীর কোন‌ও হাসপাতাল কি ওখানে পাব আমরা? তাই ওই পরিবেশে মানব শরীর গ্রহণ করতে পারে, এমন কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির গবেষণা চালাচ্ছি আমরা। সেখানেও আমরা ব্যবহার করছি ড্রপলেটের মাধ্যমে বায়ো প্রিন্ট প্রযুক্তি।’ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অক্টোবর মাসে মহাকাশের অনুরূপ পরিবেশে ফের চলবে মহড়া। চলবে ততদিন, যতদিন না কল্পবিজ্ঞানের স্বপ্ন পূরণ করতে বাস্তবের মহাকাশযান বেরিয়ে পড়ে বিজয়ের উদ্দেশে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন