চণ্ডীগড়: পাঞ্জাব সীমান্তে থেমে গিয়েছে গোলাগুলি। তুলে নেওয়া হয়েছে সমস্ত বিধিনিষেধ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরাভয় পাওয়ার পর স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন। নিরাপদ আশ্রয়ে যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরা আবার ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। রবিবার সকাল থেকেই বিছানাপত্র, রান্নার সরঞ্জাম, চাল-ডালের বস্তা ট্র্যাক্টরে বোঝাই করে তাঁরা ফিরতে শুরু করেন। বর্ডার এরিয়া কিষান ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুরজিৎ সিং ভোরা বলেন, ‘আকাশে ড্রোন দেখেই অনেকে পালাতে শুরু করছিলেন। বহুদূরে ওঁরা আত্মীয়দের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আবার ফিরতে শুরু করেছেন।’
রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ অমৃতসর জেলা প্রশাসনের পক্ষ
থেকে সকলকে স্বাভাবিক জনজীবনে ফেরার আহ্বান জানানো হয়। অন্যদিকে, জলন্ধরের
ডেপুটি কমিশনার হিমাংশু আগরওয়াল বলেন, ‘এখানে সবকিছু স্বাভাবিক। আর কোনও ভয়
নেই। স্বাভাবিক জনজীবন শুরু করা যেতে পারে।’ তবে প্রশাসনের আশ্বাস পর্যন্ত
অপেক্ষা করেনি অনেকেই। অনেকদিন পর অমৃতসর, পাঠানকোট, ফিরোজপুরে দেখা
মিলেছে প্রাতর্ভ্রমণকারীদের।
হাঁটতে হাঁটতে অমৃতসরের বাসিন্দা অমরজিৎ সিং বলেন, ‘বাহিনীর জন্যই এখন নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াতে পারছি। গত কয়েকদিন ধরে দেখছিলাম পাকিস্তান কীভাবে পাঞ্জাব সহ বিভিন্ন রাজ্যে ড্রোন হামলার চেষ্টা করছে। সীমান্তবর্তী পাঠানকোটের বাসিন্দা সিমরন বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে সীমান্তে উত্তেজনা চলছে। আমরা কিন্তু নিশ্চিত ছিলাম পাকিস্তানের হাত থেকে সেনা আমাদের রক্ষা করবে।’ লুধিয়ানার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, ‘কেউই যুদ্ধ চায় না। তবে পাকিস্তান বা অন্য কোনও দেশ যদি তা চায়, তবে ভারতকে তার যোগ্য জবাব দিতে হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পোক্ত নীতি রয়েছে ভারতের।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন