উন্মাদ পাকিস্তানের হাতে পরমাণু অস্ত্র নয়, হুঙ্কার রাজনাথের! ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জির দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

উন্মাদ পাকিস্তানের হাতে পরমাণু অস্ত্র নয়, হুঙ্কার রাজনাথের! ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জির দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত

উন্মাদ পাকিস্তানের হাতে পরমাণু অস্ত্র নয়, রাজনাথের হুঙ্কার, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জির দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত

নয়াদিল্লি: প্রথমে নরেন্দ্র মোদি। এবার রাজনাথ সিং। প্রধানমন্ত্রীর পর প্রতিরক্ষামন্ত্রীও পরমাণু হুমকি ইস্যুতে পাকিস্তানকে সরাসরি ময়দানে নামিয়ে আনলেন। একধাপ এগিয়ে তাঁর হুঙ্কার, ‘পাকিস্তানের মতো একটি উন্মাদ রাষ্ট্রের হাতে পরমাণু অস্ত্র বিনা পাহারায় রেখে দেওয়াটাই অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভারত সরকার ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির কাছে আবেদন করবে, যাতে পাকিস্তানের পরমাণু স্টোরেজ ফেসেলিটি এবং পরমাণু অস্ত্র গবেষণার সবটাই তারা নিজেদের নজরদারির আওতায় নিয়ে নেয়।’ অর্থাৎ তাঁর বার্তাটা স্পষ্ট, পাকিস্তানের হাতে পরমাণু ক্ষমতা, আর শিশুর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র— দুটোই সমান ভয়াবহ।


আচমকা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা, তাও আবার তৃতীয় দেশ আমেরিকার। কেন? এই প্রশ্নে আন্দোলিত হয়েছে দেশ ও বিশ্ব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বয়ং বলেছেন, ‘এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, মারাত্মক কিছু হতে পারত। আমরা যুদ্ধবিরতি করিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছি।’ সরাসরি পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগের আশঙ্কাই প্রকাশ করেছেন তিনি। এরপরই নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্রের ব্ল্যাকমেল করবেন না। ওই ব্ল্যাকমেল সহ্য করব না।’ ফলে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়ায় যে, ভারতের মিসাইল হানায় পাকিস্তানের কিরানা হিলসের নীচে থাকা পরমাণু অস্ত্র স্টোরেজ ক্ষতিগ্রস্ত। এমনকী লিকেজের জেরে রেডিয়েশন হচ্ছে বলেও জল্পনা তৈরি হয়। 

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি এজেন্সি কিন্তু জানিয়ে দিয়েছে, এই জল্পনা নিছকই গুজব। এমন কোনও ঘটনা‌ই ঘটেনি। তাই এই ভয়ঙ্কর গুজব যেন ছড়ানো না হয়। সোজা কথায় যুদ্ধবিরতির অন্যতম কারণ হিসেবে বারংবার পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কায় চর্চার ভরকেন্দ্র হয়ে উঠছে। ভারত তাই অবস্থান নিয়েছে যে, পাকিস্তানের এই পরমাণু ব্ল্যাকমেলকে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করুক আন্তর্জাতিক মহল। শুধু মুখেই পাকিস্তানকে তোপ নয়। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বৃহস্পতিবার শ্রীনগর সফরে নিয়ে সেনাবাহিনীকে সাধুবাদ জানানোর পরই বলেন, ‘ভারত কিন্তু পাকিস্তানের পরমাণু ব্ল্যাকমেলের পরোয়া করেনি। ওদের আচার-আচরণ দুর্বৃত্তের মতো। এরকম উন্মাদ রাষ্ট্র কখনও পরমাণু অস্ত্র সঠিকভাবে রক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেই না। তাই পাকিস্তানের পরমাণু সেক্টর সম্পূর্ণভাবে পরমাণু এনার্জি এজেন্সির তত্ত্বাবাধানে থাকা দরকার। নচেৎ পাকিস্তান যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকার এই আবেদন করবে আইএইএ সদর দপ্তরে।’ 


সংঘাত চলাকালীনই হঠাৎ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স ফোন করেন নরেন্দ্র মোদিকে। তাঁকে জানিয়ে দেন, একটি ভয়ঙ্কর গোয়েন্দা বার্তা আসছে। এখনই এই যুদ্ধ থামানো দরকার। মোদি সাফ জানান, পাকিস্তান বিরত না হলে ভারত কোনও সংযম দেখাবে না। মধ্যরাতের সেই আলোচনার পরই ১০ মে দুপুরে পাকিস্তান আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি চায়।  তারপর থেকেই দেখা যাচ্ছে ভারত সরকার পরমাণু ব্ল্যাকমেল নিয়েই প্রবল সরব। এই বার্তা থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি পরমাণু ব্ল্যাকমেল, আর তারপরই যুদ্ধবিরতি? রাজনাথ সিং কিন্তু এদিন বলেছেন, ‘গোটা দুনিয়া জেনে গিয়েছে, ভারতের সেনাবাহিনী কী নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। হতাহত কিংবা ক্ষতির সংখ্যা প্রতিপক্ষের গণনার উপরই আমাদের সেনা ছেড়ে দেয়।’

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন