নয়াদিল্লি: ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না আওয়ামি লিগ। সোমবার এমনটই জানালেন বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাসুদ। ১২ মে শেখ হাসিনার দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। বাতিল করা হয়েছে রেজিস্ট্রেশনও। এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করেছে প্রশাসন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কর্মসূচির আয়োজন করতে পারবে না আওয়ামি লিগ ও তার অধীনে থাকা দলগুলি।
সূত্রের খবর, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। সোমবার রাজশাহীতে ভোটার তালিকা যাচাই সংক্রান্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার। সেখানেই এই ঘোষণা করেন তিনি। একইসঙ্গে জানান, আওয়ামি লিগ না থাকলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এই মুহূর্তে এবিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে টালবাহানার অভিযোগ উঠেছে ইউনুস প্রশাসনের বিরুদ্ধে। খালেদা জিয়ার বিএনপির দাবি, ইচ্ছে করে ভোট পিছিয়ে দিতে চাইছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক বিএনপি নেতা জানান, আওয়ামি লিগের কর্মসূচি নিষিদ্ধ করায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদে শামিল হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামাত-ই-ইসলামি। যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের রাজনৈতিক পরিকাঠামো। বিএনপির দাবি, বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকতে এই ষড়যন্ত্র কষেছে ইউনুস সরকার। দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির এক সদস্যের কথায়, ‘প্রতি মুহূর্তে নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে। বিক্ষোভ হচ্ছে। আর পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠছে। মনে হচ্ছে, ভোট অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিতেই এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্র।’ ২৮ মে ঢাকায় মিছিল হবে। তার মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।’
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন