বনগাঁ: পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলার পর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেও উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দাদের আশঙ্কা, যে কোনও সময় এই সীমান্তে হামলা চালাতে পারে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের আমলে একাধিক জঙ্গি সংগঠন মাথাচাড়া দিয়েছে।
পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তারা পাল্টা হিসেবে বনগাঁ সীমান্তে হামলা চালাতে পারে। বনগাঁ সীমান্তে রয়েছে কালিয়ানি গ্রাম। এই গ্রাম থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব কয়েকশো মিটার। ওপারে বাংলাদেশের দৌলতপুর ও গাতিপাড়া। এখানে কাঁটাতারের বেড়া না থাকলেও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কড়া প্রহরা আছে। তাও আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই আতঙ্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার সীমান্ত ঘেঁষা জমিতে কাজ সেরে গাছের তলায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন গ্রামেরই কয়েকজন বাসিন্দা। এলাকার কথা জানতে চাইলে তাঁরাই আশঙ্কার কথা শোনান। এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, ‘দেশে যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। জানি না আমাদের কী হবে! ঢিল ছুড়লেই বাংলাদেশ। সেদেশের বর্তমান সরকার পাক জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েছে। তবে আমাদের জওয়ানরা থাকায় কিছুটা ভরসা পাচ্ছি।’
আরেক বাসিন্দার বক্তব্য, ‘বর্তমান যা পরিস্থিতি, তাতে একটু ভয় তো হবেই। নিরাপত্তা রক্ষীদের নজরদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’ পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলার পর বনগাঁ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বাইরের কেউ সীমান্তের দিকে গেলে তাঁকে বিএসএফ জওয়ানদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে। যদিও এবিষয়ে বিএসএফের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। গ্রামবাসীদের দাবি, মাঝেমধ্যে ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শত্রুকে কড়া হাতে মোকাবিলা করা উচিত আমাদের জওয়ানদের।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন