দোষী সাব্যস্ত করলেও ধর্ষণে অভিযুক্তর শাস্তি মকুব শীর্ষ আদালতের - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫

দোষী সাব্যস্ত করলেও ধর্ষণে অভিযুক্তর শাস্তি মকুব শীর্ষ আদালতের

 


নয়াদিল্লি: নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত যুবককে দোষী সাব্যস্ত করলেও শাস্তি দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্ক ওই ‘নির্যাতিতা’ অভিযুক্তের স্ত্রী। বাংলার বাসিন্দা ওই দম্পতির সন্তানও রয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখার পর ‘পূর্ণ ন্যায়বিচার’ দিতে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে শীর্ষ আদালত। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টও পকসো মামলায় অভিযুক্ত ওই যুবককে খালাস ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দেয়। তবে অভিযুক্তকে শাস্তির বিষয়টি স্থগিত রেখেছিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নিয়োগ করা বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট খতিয়ে দেখে আদালত। 
বিচারপতি অভয় ওকা ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ানের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘নির্যাতিতা’ পুরো বিষয়টিকে জঘন্য অপরাধ হিসেবে দেখেননি। আইনি টানাপোড়েনের জেরে তাঁকে ভুগতে হয়েছে। সমাজ খারাপ চোখে দেখেছে,  পরিবার তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তিনি ‘স্বামী’কে বাঁচানোর জন্য পুলিস ও বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে লড়াই করে গিয়েছেন। ‘নির্যাতিতা’ এখন অভিযুক্তের সঙ্গে মানসিকভাবে জুড়ে গিয়েছেন। শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, ‘এই মামলা বিচার ব্যবস্থার অনেক ফাঁকফোঁকর সামনে এনে দিয়েছে, যা আমাদের সকলের চোখ খুলে দেবে।’
মামলার সূত্রপাত ২০১৮ সালে। সেই সময় ১৪ বছর বয়সি এক নাবালিকার নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার মামলা করে পরিবার। পরে জানা যায়, ওই নাবালিকাকে এক যুবক বিয়ে করেছে। নাবালিকার পরিবার ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পকসো আইনে নিম্ন আদালত ওই যুবককে ২০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন যুবক। ২০২৩ সালে হাইকোর্ট ওই যুবককে মুক্তি দেয়। কিন্তু রায় দেওয়ার সময় আদালত মন্তব্য করেছিল, কিশোরীদের যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। নাহলে সমাজের চোখে তাদেরই খারাপ প্রতিপন্ন হতে হবে। সেই মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টিতে শীর্ষ আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। 
গত বছরের আগস্টে কলকাতা হাইকোর্টের রায় খারিজ করে যুবককে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু শাস্তি ঘোষণার আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে ‘নির্যাতিতা’র মানসিক পরিস্থিতি, তাঁর সামাজিক অবস্থান খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দেয় ওই কমিটি। তাতে বলা হয়, ‘নির্যাতিতা’ এখন ওই যুবকের সঙ্গে সুখে সংসার করছেন। সব দিক খতিয়ে দেখে বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ আদালত।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন