কান্দি: জেলায় সেঞ্চুরি হাঁকাল ডাবের দাম! তপ্ত গরমে একটু স্বস্তি পেতে ১০০টাকাতেও দেদার বিকোচ্ছে ডাব। রবিবার মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকার চিত্রটা ছিল এমনই। মুর্শিদাবাদে এদিন তাপমাত্রা ৪০ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়েছে। গত ২৪ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৫ শতাংশ। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪২ শতাংশ। বাতাস বইছে ১০কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এমন অবস্থায় জেলার বাসিন্দাদের হাঁসফাঁস অবস্থা। অধিকাংশ মানুষই সকালের মধ্যে সমস্ত কাজ সেরে ঘরে ঢুকে পড়ছেন। তবে যাঁদের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়, তাঁদের রোদে পুড়তেই হচ্ছে। তীব্র গরমের মধ্যেই রাস্তায় চলাচল করে কাজ সারতে হচ্ছে। আর সেক্ষেত্রে ‘মহার্ঘ্য’ ডাবই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগেও বাজারে ডাবের দাম ছিল ৭০-৮০টাকা। কিন্তু এদিন তা একলাফে বেড়ে ১০০টাকা হয়ে গিয়েছে। খোদ বহরমপুর শহরেই ডাবের দাম সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। এছাড়াও, ডোমকল ও ইসলামপুরে ডাবের বাজারদর ছিল ৭০-১০০টাকা। জঙ্গিপুর ও রঘুনাথগঞ্জে ডাবের দর ঘোরাফেরা করছিল ৭০-৯০টাকার মধ্যেই। সেদিক দিয়ে কান্দিতে এদিন ডাবের বাজারদর ছিল কিছুটা নিম্নমুখী। কান্দির নেতাজি বাস টার্মিনাস এলাকায় বড় ডাব ৮০টাকায় বিক্রি হলেও ছোট ডাবের দর ছিল ৬০টাকা। কান্দির ডাব বিক্রেতা মৃত্যুঞ্জয় দাস বলেন, মহাজনের কাছে আগাম টাকা জমা দিয়েও ডাব পাচ্ছি না। খদ্দেরের অভাব না থাকলেও ডাবের আকাল রয়েছে। এইরকম পরিস্থিতি আর কয়েকদিন চললে ডাবের দাম ১৫০টাকা হয়ে যেতে পারে। এদিকে, ডাবের দর সেঞ্চুরি হাঁকালেও বিক্রিতে ভাটা পড়েনি। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকার ডাব বিক্রেতা নিখিল পাল বলেন, খদ্দের প্রচুর। কিন্তু ডাব জোগাড় করা সমস্যা হয়ে গিয়েছে। -নিজস্ব চিত্র
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন