কাজের চাপে সময় জিমে যাওয়ার সময় বেরয় না। কোন কোন নিয়ম মানলে ওজন ঝরবে? রইল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
মেদ ঝরাতে বরাবর শরীরচর্চার উপর জোর দেন ফিটনেস এক্সপার্টরা। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জিমে যাওয়ার বা আলাদা করে শরীরচর্চা করার সময় মেলে না অনেকেরই। খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে তাই তাঁরা খোঁজেন শরীরচর্চার বিকল্প কোনও পথ। ডায়েট ঠিক রাখার পাশাপাশি সেগুলি মেনে চললেও শরীরের মেদ ঝরে।
‘মেদ ঝরানোর আগে একটি কথা মেনে নিতে হবে, চট করে কিছু হয় না। সহজে মেদ ঝরানোর জন্য ব্যবহৃত ক্যাপসুল বা পাউডারের নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। শরীরচর্চার সত্যিই কোনও বিকল্প হয় না, তবে একান্তই সময় না পেলে কিছু ভিন্ন অভ্যাস জীবনের রুটিনে প্রবেশ করালে আখেরে লাভ হবে আপনারই,’ জানালেন ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ও পুষ্টিবিদ সুমেধা সিং।
কী কী সেই জরুরি অভ্যাস, যা মেদ ঝরতে সাহায্য করতে পারে?
প্রতিদিন নিয়ম করে পর্যাপ্ত ঘুমোন। ঘুমের এক ঘণ্টা আগে সবরকম স্ক্রিন থেকে চোখকে দূরে রাখুন। মোবাইল না ঘেঁটে হালকা ছন্দের ভালো বই পড়ুন বা হালকা কোনও মিউজিক শুনুন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বডি মাস ইন্ডেক্স বেড়ে যায়। আর বডি মাস ইনডেক্স বেড়ে গেলে ওজনও বাড়বে।
সন্ধ্যার পর চা-কফি খাবেন না। এতে ঘুমের সমস্যা বাড়ে ও শরীরে মেটাবলিজমে ব্যাঘাত ঘটে।
অফিসের বা আবাসনের লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ভাঙুন। অনেক উপরের তলায় থাকলে কিছুটা তলা সিঁড়ি ভেঙে উঠে বাকিটা লিফটে উঠুন।
মানসিক চাপ বেশি থাকলে ওজন বাড়বে। তাই স্ট্রেস কমান। প্রয়োজনে প্রাণায়াম, মেডিটেশনের শরণ নিন।
মেদ ঝরাতে জলের উপর গুরুত্ব দিন। আপনার ওজন, উচ্চতা ও অন্যান্য অসুখ অনুসারে শরীরে কতটুকু জলের প্রয়োজন, তো জেনে নিন চিকিৎসকের কাছ থেকে। সেই অনুযায়ী জলের রুটিন তৈরি করুন। শুধু জল না খেয়ে এই রুটিনে যোগ করতে পারেন নানা ডিটক্স ওয়াটার, ডাবের জল, লস্যি, দইয়ের ছাঁচ। শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকলে খিদের পরিমাণ কমে। হজম ভালো হয়। প্রতিটা ভারী খাবারের ১০ মিনিট আগে এক গ্লাস জল খান। এতে খিদে কমবে।
শরীরচর্চা না করতে পারলে ডায়েট মানতে হবে
আরও কঠিনভাবে। তেল ঝাল মশলা বাদ দেওয়ার পাশে নির্দিষ্ট ক্যালোরি মেপে
খাবার খান। পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে নিজের ডায়েট প্ল্যান তৈরি করুন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন