পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার আগেই ট্রাম্প পরিবারের ফার্মের সঙ্গে পাক সংস্থার চুক্তি - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার আগেই ট্রাম্প পরিবারের ফার্মের সঙ্গে পাক সংস্থার চুক্তি

পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার আগেই ট্রাম্প পরিবারের ফার্মের সঙ্গে পাক সংস্থার চুক্তি
 
 

নয়াদিল্লি: ‘অপারেশন সিন্দুর’ স্থগিত করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেছিলেন কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে। তার মধ্যেই আমেরিকা ও পাকিস্তানের দুটি ক্রিপ্টোকারেন্সি সংস্থার মধ্যে চুক্তি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করল দিল্লি। কারণ, ওই চুক্তির সঙ্গে নাম জড়িয়ে গিয়েছে ট্রাম্পের পরিবারের একাধিক সদস্য ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের। সবচেয়ে তাত্পর্যপূর্ণ বিষয় হল, পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার কয়েকদিন আগেই ওই চুক্তি হয়। কী কারণে এই চুক্তি ও তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে ভারত। আসিম মুনির যেভাবে এই চুক্তির সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন, তাতে এই চুক্তির সঙ্গে পাকিস্তানের জাতীয় সুরক্ষার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও দেখা হচ্ছে। তবে এখনও এই নিয়ে বিশেষ তথ্য মেলেনি। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়াশিংটনও এই নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।


আমেরিকার ওই ক্রিপ্টোকারেন্সি ফার্মটির মূল সংস্থা হল ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল। এর ৬০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুই ছেলে এরিক, ডোনাল্ড জুনিয়র ও ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনারের হাতে। গত এপ্রিল মাসে ওই ফার্মটির সঙ্গে পাকিস্তানের ক্রিপ্টো কাউন্সিল নামে একটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়। পাকিস্তানের সংস্থাটি মাসখানেক আগেই তৈরি হয়েছে। ওই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পাক সংস্থাটি ঘোষণা করে, তারা ইসলামাবাদকে দক্ষিণ এশিয়ার ‘ক্রিপ্টো রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। 

এখানেই থেমে থাকেনি ওই সংস্থাটি। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ সংস্থা বাইন্যান্সের প্রতিষ্ঠাতা চাংপেং ঝাওকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করার কথা ঘোষণাও করে। সূত্রের খবর, দুই সংস্থার চুক্তির জন্য ওয়াশিংটন থেকে শীর্ষ আধিকারিকদের একটি হাই-প্রোফাইল দল ইসলামাবাদে পৌঁছায়। যার নেতৃত্বে ছিলেন মার্কিন ফার্মটির প্রতিষ্ঠাতা জাকারি উইটকফ। যিনি আবার ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সঙ্গী স্টিভ উইটকফের ছেলে। স্টিভ বর্তমানে  পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার বিশেষ দূতের দায়িত্বে রয়েছেন। ইসলামাবাদে ওই দলটিকে অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন স্বয়ং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও মুনিরের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদের একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও হয়।


যদিও ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল বা পাক সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, পাকিস্তানে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে জনপ্রিয় করতে ও এই ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করে তুলতেই দুটি সংস্থা একসঙ্গে কাজ করবে। পহেলগাঁও হামলার পর এই নিয়ে খোঁজখবর শুরু হওয়ার পর মার্কিন সংস্থাটি প্রেস নোট জারি করে জানিয়েছে, এই চুক্তির সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই। যদিও ট্রাম্পের পরিবার বা হোয়াইট হাউস এই নিয়ে টুঁ শব্দ করেনি। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্রের দাবি, এই চুক্তিতে যথেষ্ট অস্বচ্ছতা রয়েছে। পাশাপাশি, এর সঙ্গে রাজনৈতিক যোগ থাকার সম্ভাবনাও প্রবল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন