প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ তোলা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, ইডিকে সুপ্রিম ভর্ৎসনা - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ তোলা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, ইডিকে সুপ্রিম ভর্ৎসনা

প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ তোলা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, ইডিকে সুপ্রিম ভর্ৎসনা

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার শীর্ষ আদালতে একটি জামিনের আবেদনের শুনানি চলছিল। সেই সময় বিচারপতি এ এস ওকা মন্তব্য করেন, ‘আমরা অনেক মামলাতেই দেখছি, কোনও প্রমাণ ছাড়াই ইডি যে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। এটা এখন ইডির অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছে।’

 ছত্তিশগড়ে ভূপেশ বাঘেলের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার থাকাকালীন মদ বিক্রিতে দুর্নীতি ও সেই সংক্রান্ত আর্থিক তছরূপের অভিযোগের তদন্ত করছে ইডি। সেই মামলায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন। বিচারতি ওকা ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ানের ডিভিশন বেঞ্চে তার শুনানি চলছিল।  দুর্নীতির মাধ্যমে ওই ব্যক্তি ৪০ কোটি টাকা পেয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছে ইডি। কিন্তু এদিন বিচারপতি ওকা মন্তব্য করেন, ‘আপনারা অভিযোগ তুলছেন অথচ বলতে পারছে না যে ওই টাকা কোথা থেকে এল। ওই ব্যক্তির সঙ্গে কোনও সংস্থার যোগাযোগও দেখাতে পারেননি।’


ইডির অভিযোগ, ভূপেশ বাঘেলের আমলে ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে। রাজ্য সরকারের শীর্ষ আধিকারিক, বেসরকারি সংস্থা ও রাজনৈতিক নেতাদের এক সিন্ডিকেট এই দুর্নীতির মূল হোতা। এই সিন্ডিকেট মদ প্রস্তুতকারকদের থেকে নিয়মিত মোটা টাকা ঘুষ নিত বলেও অভিযোগ তুলেছে ইডি। যদিও পুরো বিষয়টিই বিজেপির ষড়যন্ত্র বলে আগেই দাবি করেছেন বাঘেল। এর আগেও এই মামলা নিয়ে শীর্ষ আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল ছত্তিশগড় সরকার। 

সেই সময় আদালত প্রশ্ন তোলে, সরকার কতদিন একজনকে জেলবন্দি করে রাখতে পারে? সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছিল, তদন্ত তার নিজস্ব গতিতে চলবে। অন্ততকাল ধরেও তদন্ত চলতে পারে। তিনটি চার্জশিট ইতিমধ্যেই পেশ হয়েছে। এটা কোনও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বা তিনজনকে খুন করার মতো মামলা নয়। অথচ আপনারা একজনকে জেলে রেখে পুরো প্রক্রিয়াকেই শাস্তিতে পরিণত করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন