ভুবনেশ্বর: গোপালপুর, কেওনঝাড়ের পর এবার ময়ূরভঞ্জ। বিজেপি শাসিত ওড়িশায় ফের গণধর্ষণের অভিযোগ। এই নিয়ে পরপর ৩ দিন গণধর্ষণের অভিযোগ ওড়িশায়। পরিবারের অভিযোগ, সোমবার রাতে বাড়িতে একাই ছিলেন ওই মহিলা। সেসময় জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢোকে ৪ দুষ্কৃতী। নির্যাতিতাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যত্র নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। বারাপদা থানার আইসি অজয় প্রসাদ জেনা জানিয়েছেন, ৪ অভিযুক্তের নাম পুলিশকে জানিয়েছেন। অভিযুক্তদের খোঁজে ইতিমধ্যেই একটি টিম গঠন করা হয়েছে। এদিকে, পরের পর এধরনের ঘটনায় নারী সুরক্ষা নিয়ে বিজেপি সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা।
গত রবিার ওড়িশার গোপালপুর সমুদ্র সৈকতে এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ১০ দুষ্কৃতী। ঠিক তার পরের দিন কেওনঝড়ে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। পরপর গণধর্ষনের ঘটনায় বিজেপি শাসিত রাজ্যের নারী সুরক্ষা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বেহাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছে বিরোধী বিজেডি ও কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই গোপালপুরের ধর্ষণের ঘটনায় একটি ৫ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গড়া হয়েছে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। দীপা দাসমুন্সির নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলে থাকবেন সাংসদ রণজিৎ রঞ্জন, প্রণতি শিন্দে, এস জোথিমানি ও শোভা ওঝা। বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়ে কংগ্রেস নেত্রী অলকা লাম্বা বলেছেন, ‘বিজেপির গত ১১ মাসের শাসনকালে প্রতিদিন ১৫টি করে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সাড়ে ৪ হাজার মহিলা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়। ১১ মাসে
২৮ হাজারের বেশি নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কীভাবে এত সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতীরা?

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন