ময়নাগুড়ি: চুরি করতে এসে রীতিমতো ফ্রিজ খুলে ঠান্ডা পানীয় এবং মাংস খেয়ে পালাল চোর। শুধু খেলই না, নিয়েও গেল ওসব। রবিবার সকালে ক্যান্টিন খুলতেই বিষয়টি সামনে আসে। আর এতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের ছড়ায়।ঘটনাটি ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা খুকশিয়া পার্কের ক্যান্টিনে।
চুরির ঘটনায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীর। মাংস এবং ঠান্ডা পানীয় খেয়ে বাসনপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছে চোর। সকালেই পুলিসকে জানান ব্যবসায়ী সঞ্জীব সাহা। তদন্তে আসে ময়নাগুড়ি থানার পুলিস। গোটা ঘটনার কথা লিখিতভাবে জানানো হবে বলে ক্যান্টিনটি লিজে নেওয়া ব্যবসায়ী সঞ্জীব সাহা জানিয়েছেন।সকালে খুকশিয়া পার্কের ক্যান্টিন খুলতে এসে চক্ষু চড়কগাছ হয় সঞ্জীববাবুর। তিনি দেখেন ক্যান্টিনের রান্নাঘর এবং আনাজপাতি রাখার স্টোররুমের সিলিং ভাঙা। দরজার তালাও খোলা। এরপর ফ্রিজ খুলে দেখেন সেখানে রাখা রান্না করা মাংস এবং ঠান্ডা পানীয়র বোতলগুলি নেই। রান্নাঘরে রাখা বেশকিছু বাসনও নেই। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই স্থানীয়রা ক্যান্টিনের সামনে জড়ো হন।
খাগড়াবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা খুকশিয়া ক্যান্টিন সঞ্জীব সাহা এবং তাঁর স্ত্রী সঞ্চিতা সাহা চালান। ক্যান্টিন চালিয়েই তাঁদের সংসার চলে। এই চুরির ঘটনায় তাঁদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। সঞ্চিতাদেবী বলেন, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও ক্যান্টিনের গেটে তালা মেরে বাড়ি যাই। সকালে এসে দেখি চুরি হয়েছে।ফ্রিজে দু’ধরনের মাংস ছিল। সেটাও নেই। ঠান্ডা পানীয়র বোতল ছিল, ওসবও চোর নিয়ে গিয়েছে। ক্যান্টিনের টিনের চালের স্ক্রু খুলে সিলিং ভেঙে চোর ভিতরে ঢুকেছিল।
সঞ্জীববাবু বলেন, অনেক টাকা ভাড়া দিতে হয়। শনিবার প্রচুর মাংস রান্না করাছিল। ওসব ফ্রিজেই রেখে গিয়েছিলাম। কারণ রবিবার পার্কে সকাল থেকে ভিড় হয়। চোর কিছু খেয়েছে, বাকিটা নিয়ে গিয়েছে। পুলিস এসে প্রাথমিক তদন্ত করে গিয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ জানাব। ময়নাগুড়ি থানার এক অফিসার জানিয়েছেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করে আসা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ এলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন