তেহরান: ইরান-ইজরায়েল সংঘাত চরমে। এর মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই তাঁর সমস্ত ক্ষমতা বিপ্লবী গার্ডের ‘সুপ্রিম হাউস’-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, এটা কোনও প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তর নয়। এটা আসলে পূর্ণ ক্ষমতার হস্তান্তর। যার অর্থ—এখন বিপ্লবী গার্ড চাইলে সর্বোচ্চ নেতার অনুমতি বা ধর্মীয় ফতোয়া ছাড়াই পারমাণবিক সিদ্ধান্ত নিতে বা বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাতে পারবে । যা ইরানের শাসন ব্যবস্থায় একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তন। কেন এই সিদ্ধান্ত? সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ একটাই—‘খামেনেই-পরবর্তী’ সময়ের জন্য প্রস্তুতি। অর্থাৎ, যদি হঠাৎ করে খামেনেইর মৃত্যু হয়, তাহলে দেশ অচল হয়ে পড়বে না। নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে দেশের নিয়ন্ত্রণ নেবে বিপ্লবী গার্ড। কোনও পরিস্থিতিতেই যাতে ক্ষমতার শূন্যতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সেটাই মূল লক্ষ্য।
এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি ঘিরে আরও একটি প্রশ্ন উঠেছে। যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে খতমের হুঙ্কার দিয়েছে ইজরায়েল, তার প্রেক্ষিতেই কি এই সিদ্ধান্ত? এ বিষয়ে ইরানের তরফে অবশ্য সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। যদিও রাজনীতির কারবারিদের মতে, এই পদক্ষেপটি আপতকালীন সময়ের নিরিখে নেওয়া হয়েছে। যা থেকে স্পষ্ট, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে। বড় কোনও বিপদ হলে ‘সংস্কারপন্থী’দের ক্ষমতা দখলের সুযোগ বন্ধ করতেই মূলত এই পদক্ষেপ।
.jpeg)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন