ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সমস্যার সমাধান সময়ের আগেই করল নির্বাচন কমিশন - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর সমস্যার সমাধান সময়ের আগেই করল নির্বাচন কমিশন

 


নয়াদিল্লি: ডুপ্লিকেট এপিক (ভোটার পরিচয়পত্র) ইস্যুতে শুদ্ধিকরণে নেমে নির্বাচন কমিশনের চক্ষু চড়কগাছ! গত দু-আড়াই মাসে গোটা দেশে ২ লক্ষ ৭০ হাজার ডুপ্লিকেট এপিকের সন্ধান মিলেছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ২১২টি। কমিশনের শীর্ষ সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। একই নাম্বারের এপিক পাওয়া গিয়েছিল অন্য রাজ্যেও। পশ্চিমবঙ্গের কার্ডের নাম্বারের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল হরিয়ানা, পাঞ্জাবের মতো কিছু ভোটারের কার্ড। কোনও একটি রাজনৈতিক দল ‘ক্লোন কার্ড’ বানিয়ে ভুয়ো ভোটার তৈরি করতেই এই কাণ্ড করেছিল বলেও অভিযোগে সরব হয়েছিল তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই প্রথম ডুপ্লিকেট তথা নকল ভোটার কার্ড ইস্যুতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সোচ্চার হন। বাংলার সঙ্গে অন্য রাজ্যের ১২৯টি একই এপিকের উদাহরণও তুলে ধরেন। তারপরই নড়েচড়ে বসে কমিশন। ‘একই সিরিজে’র ভুল শুধরে এখন ডুপ্লিকেট ভোটারদের ‘ইউনিক এপিক নাম্বার’ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।   
ডুপ্লিকেট এপিক ইস্যুর পাশাপাশি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও কোনও সংস্কারের প্রয়োজন কি না, তা নিয়ে আলোচনা করতে ২৩ জুনের পর তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই বিজেপি, আম আদমি পার্টি, বিএসপি, সিপিএম এবং এনপিপির মতো দলের সঙ্গে কথা বলেছে কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করে সুষ্ঠু, অবাধ ও ত্রুটিহীন ভোট করাতেই এই উদ্যোগ। ভুয়ো ভোটার সম্পর্কে কোনও সন্দেহ থাকলে প্রতি জানুয়ারিতে কমিশন প্রকাশিত ‘স্পেশাল সামারি রিভিশন’ দেখে ভারতের যে কোনও নাগরিক যে কোনও প্রান্তের ভোটার সম্পর্কে অভিযোগ জানাতে পারবে। জেলাশাসক অথবা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানানো যায়। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত এ ধরনের ৮৯টি অভিযোগ পেয়েছে কমিশন। বিভিন্ন রাজ্যে একই নাম্বারের এপিক ইস্যুটি মূলত টেকনিক্যাল ক্রুটি এবং বহুদিন ধরে চলছে বলে মেনে নিয়েছে কমিশন। যদিও এপিক নম্বার এক হলেও কেউ ভুয়ো ভোটার নয় বলেই জানায় তারা। ৭ মার্চ কমিশন জানিয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে তারা বিষয়টি শুধরে নেবে। সেই কাজ সময়ের আগেই শেষ করছে কমিশন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন