মহিলাদের স্বনির্ভর করতে ২০২৩ কোটি ঋণ, দেওয়া হবে বিউটি পার্লার খোলার প্রশিক্ষণ - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

মহিলাদের স্বনির্ভর করতে ২০২৩ কোটি ঋণ, দেওয়া হবে বিউটি পার্লার খোলার প্রশিক্ষণ



বর্ধমান: মহিলাদের জীবন এখন আর হেঁসেলে সীমাবদ্ধ নেই। বাড়ির বাইরে বেরিয়ে তাঁরা নিজেদের উদ্যোগে কাজ করছেন। স্বনির্ভর হয়ে উঠছেন। শহরের মহিলারা অবশ্য এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন। রাজ্য সরকার চাইছে কেতুগ্রাম বা আউশগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দারাও নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বনির্ভর হয়ে উঠুক। তাঁদের নিজেদের পায়ে দাঁড় করাতে ২০২৩ কোটি টাকার লোন দেওয়ার টার্গেট নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে লোন দেওয়া হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় নতুন করে সাত হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে তিন হাজার গোষ্ঠী তৈরি হয়ে গিয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরির জন্য আধিকারিকরা গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন। এলাকার মহিলাদের স্বনির্ভর হওয়ার মন্ত্র দিচ্ছেন।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার মহিলাদের বিউটিশিয়ানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে তাঁরা পার্লার খুলে আয় করতে পারবেন। এছাড়া তাঁদের গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গাড়ি চালানো শেখা থাকলে তাঁদের সুবিধা হবে। নিজেরা গাড়ি কিনে বা অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে আয় করতে পারবেন। মেয়েরা মোমবাতি সহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী তৈরি করছেন। তা থেকেও আয় করা যেতে পারে। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোটা অঙ্কের টাকা লোন পেলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি নিজেরাও বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প নিতে পারে। মহিলারা নিজেরা মাছ বা ধান চাষ করেও স্বনির্ভর হতে পারেন। জেলার কয়েকটি স্বনির্ভরগোষ্ঠী কালো ধান চাষ করে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। আধিকারিকদের দাবি, জেলার নিষ্ক্রিয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের সমস্যা জেনে তা সমাধানও করা হচ্ছে। আধিকারিকরা গ্রামে ঘুরতে থাকায় বহু মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কাজের প্রতি উৎসাহ দেখে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মশলা প্যাকেজিংয়ের কাজ করানোর টার্গেট রয়েছে। এছাড়া পুজোর সময় চাহিদামতো বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির কাজেও লাগানো হবে। আগের তুলনায় মহিলাদের আয় অনেক বেড়ে গিয়েছে। জেলার জামালপুর, রায়না, মেমারি, নাদনঘাট সহ কয়েকটি এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে সাড়া ফেলে দিয়েছে। পিছিয়ে থাকা গোষ্ঠীগুলিকে একইভাবে সক্রিয় করা হবে। মহিলাদের গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। গোষ্ঠীগুলি লোনের টাকায় গাড়ি কিনেও আয় করতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন