বিদায়ী প্রধান বিচারপতি বি. আর. গাভাই নিজের শেষ ভাষণেই ছুঁড়ে দিলেন কঠোর প্রশ্ন—
একজন প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী ছেলেকে কি সেই মানদণ্ডে বিচার করা যায়, যেভাবে বিচার করা হয় সুযোগসুবিধা-পাওয়া শহুরে পরিবারে জন্মানো এক শিশুকে?
🎯 গাভাইয়ের বক্তব্য
তিনি ফের জোর দিলেন তাঁর ঐতিহাসিক রায়—তপশিলি জাতির সংরক্ষণে ‘ক্রিমি লেয়ার’ বাদ পড়া উচিত।
কারণ, সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি না হলে গণতন্ত্রই ভেঙে পড়বে তাসের ঘরের মতো।
🔍 বাস্তব উদাহরণ
গাভাই শোনালেন তাঁর এক ল ক্লার্কের কথা—
এক দলিত পরিবারের সন্তান, কিন্তু বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে জীবনে সব সুযোগ পেয়েছে। তাই সে জানিয়েছে, সে নিজে সংরক্ষণ নেবে না।
এই উপলব্ধি—গাভাইয়ের মতে—অনেক রাজনীতিবিদের নেই।
📜 প্রেরণার উৎস
তিনি মনে করিয়ে দিলেন আম্বেদকরের ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ভাষণ—
অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা না হলে গণতন্ত্র টিকবে না।
💬 গাভাইয়ের স্পষ্ট বার্তা
সমতা মানে সবাইকে একই মাপে মাপা নয়, বরং পিছিয়ে পড়া মানুষকে এগিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা। এটি না হলে সংরক্ষণের মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ।
ভারতের বিদায়ী প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য আবারও আলোচনার কেন্দ্রে—সাম্য কি সবার জন্য একই তক্তা, নাকি সবার জন্য ন্যায্য সুযোগ? ✍️

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন