পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে জোর করে ঢুকে পড়লেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে জোর করে ঢুকে পড়লেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

 


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের একটি ভিবিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তুর্কমেনিস্তানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের মধ্যে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হচ্ছিল। তখন বাইরে অপেক্ষা করছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। কিন্তু ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করার পরও যখন পুতিন তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন না, বিরক্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জোর করে সেই কক্ষে প্রবেশ করেন। জানা গিয়ছে নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অপ্রত্যাশিত বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুতই ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হতাশ শেহবাজ শরিফ একটি হল থেকে বেরিয়ে আসছেন। তিনি সরাসরি সেই কক্ষের দিকে যাচ্ছেন যেখানে পুতিন ও এরদোয়ান রুদ্ধদ্বার আলোচনায় মগ্ন ছিলেন। নিরাপত্তা রক্ষীদের বেষ্টনীতে থাকা শরিফ জোর করে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিন্তু তিনি চৌকাঠ পার হওয়ার মুহূর্ত পরেই রক্ষীরা তাঁকে থামিয়ে দেয়। অন্য আর একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, শরিফ তখনও অধৈর্য ভঙ্গিতে একটি রাশিয়ান পতাকাযুক্ত খালি চেয়ারের পাশে বসে রয়েছেন। পুতিনের আসার অপেক্ষা তাঁদের অধৈর্য করে তুলছিল।

শরিফের এই ভুলটি ছিল দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত। অন্ধকারে থাকার পর প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাওয়ার জন্য একটি মরিয়া প্রচেষ্টা ছিল এটি। প্রায় দশ মিনিটের মধ্যেই পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী যেমনি আকস্মিকভাবে প্রবেশ করেছিলেন, তেমনি হঠাৎ করেই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তবে, কয়েক ঘন্টা পরে, আরটি ইন্ডিয়া স্পষ্ট করে জানায় যে পোস্টটি ঘটনাগুলোর ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। আরটি ইন্ডিয়া টুইট করে, "আমরা তুর্কমেনিস্তানে শান্তি ও আস্থা ফোরামে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করার জন্য পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শরিফের অপেক্ষা করা সম্পর্কিত একটি পূর্ববর্তী পোস্ট মুছে ফেলেছি। পোস্টটি ঘটনাগুলোর ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে।" 

সামাজিক মাধ্যম দ্রুত এই কূটনৈতিক ভুলের সুযোগ নেয়। বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী পুতিনের সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা না করে অধৈর্য হয়ে জোর করে প্রবেশ করার কারণে শরিফকে উপহাস করে। একজন লেখেন, "৪০ মিনিট অপেক্ষার পর, এমনকি জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়ও হাল ছেড়ে দেয়। শরিফ তাও ছাড়েননি।" অন্য একজন লেখেন,"তাঁকে ট্র্যাফিক সিগন্যালের ভিখারির মতো উপেক্ষা করা হয়েছে।"

কূটনৈতিক এই বিভ্রাট সত্ত্বেও, অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা অনুযায়ীই চলে এবং তুর্কমেনিস্তানের স্বতন্ত্র নিরপেক্ষ মর্যাদাকে তুলে ধরা হয়।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন