ব্রিগেড প্রচারেই জন্মদিন পালন করবে টিম মমতা

কলকাতা: দলের জন্মদিন উদযাপনে এবার গুরুত্ব পাবে ব্রিগেড সমাবেশের প্রচার। আগামীকাল, মঙ্গলবার একুশে পা দিতে চলেছে তৃণমূল। প্রতি বছরের মতো এবারেও প্রতি ব্লকে পয়লা জানুয়ারি ঘাসফুল পতাকা তুলে সূচিত হবে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। মুখ্যত রক্তদান, শীতবস্ত্র বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মতো নানাবিধ সামাজিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় দলের জন্মদিন। এবার তাতে বাড়তি মাত্রা

ব্রিগেড প্রচারেই জন্মদিন পালন করবে টিম মমতা

কলকাতা: দলের জন্মদিন উদযাপনে এবার গুরুত্ব পাবে ব্রিগেড সমাবেশের প্রচার। আগামীকাল, মঙ্গলবার একুশে পা দিতে চলেছে তৃণমূল। প্রতি বছরের মতো এবারেও প্রতি ব্লকে পয়লা জানুয়ারি ঘাসফুল পতাকা তুলে সূচিত হবে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। মুখ্যত রক্তদান, শীতবস্ত্র বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মতো নানাবিধ সামাজিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় দলের জন্মদিন। এবার তাতে বাড়তি মাত্রা জুড়েছে আগামী ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের মা-মাটি-মানুষের মহাসমাবেশ। তাই জন্মদিন উদযাপনের মোড়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ওই জনসভার প্রচারই প্রাধান্য পেতে চলেছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। একুশ বছরে এই নিয়ে তৃতীয়বার ব্রিগেডে জনসভা করতে চলেছে তৃণমূল।

রাজ্য কংগ্রেস ভেঙে ১৯৯৮ সালের প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলের জন্মদিন ঘোষণার পর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে মমতার ভূমিকা আলাদা ছাপ ফেলেছিল। একাধিকবার কেন্দ্রের শাসক মোর্চার শরিক হয়ে তিনি নিজে তো বটেই, সতীর্থদের নিয়ে মন্ত্রিসভাতে যোগ দিয়েছেন। এনডিএ থেকে দ্বিতীয় ইউপিএ কাউকেই নীতিগত প্রশ্নে রেয়াত করেনি তৃণমূল। কেন্দ্রীয় রাজনীতির পাশাপাশি বাংলার ঘরোয়া আবহে সিঙ্গুর, ভাঙড়, নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে জাতীয় স্তরে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল মমতার দল। মোটরগাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যে ব্রিটিশ আমলের আইন বলে অধিগ্রহণের নামে বহুফসলি জমি হাসিল করেছিল বামফ্রন্ট সরকার। রাজ্য বিধানসভায় মাত্র ৩৫ সদস্যের তৃণমূল তখন ১০ বছরও পেরোয়নি। সিঙ্গুরে টাটাদের কারখানার জন্য অধিগৃহীত জমি ফেরতের দাবিতে ২০০৬ সালে ২৭ দিন অনশন করেন মমতা। ভাঙড়, সিঙ্গুরের পর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের জেরে ১৮৯৪ সালের জমি অধিগ্রহণ আইন বদলে নতুন আইন তৈরি করতে বাধ্য হয় ইউপিএ সরকার। মমতার অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের অভিঘাত গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রধানত সেই আন্দোলনের সুবাদেই রাজ্যে সাড়ে তিন দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *