মশলা থেকে চায়ের গুঁড়ো, রাসায়নিক মেশানো অব্যাহত! চুপ কেন রাজনীতিকরা?

মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক (Adulterated food and drinks) একের এক মশলা প্রস্তুতকারক সংস্থার বিরুদ্ধে মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানোর অভিযোগ উঠছে। একাধিক দেশ কয়েকটি ভারতীয় কোম্পানির…

Adulterated food and drinks

মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক (Adulterated food and drinks)

একের এক মশলা প্রস্তুতকারক সংস্থার বিরুদ্ধে মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানোর অভিযোগ উঠছে। একাধিক দেশ কয়েকটি ভারতীয় কোম্পানির সেই সমস্ত মশলা বাতিল করে দিয়েছে। এরপরই নড়ে চড়ে বসেছে কেন্দ্র।

রান্নার মশলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক (contaminated food and drinks)

সদ্য বহু মশলার গুণমান পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে তাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ অত্যন্ত বেশি পরিমাণে রয়েছে। শুধু রান্নার মশলাই নয়, গুঁড়ো চায়েও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। রাসায়নিক মিশিয়ে চায়ে ফ্লেভার আনাটাই অসৎ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে শুধু মশলা বা চা প্রস্তুতকারক কোম্পানির দ্রব্যসামগ্রী বাজেয়াপ্ত করলেই কী কেন্দ্রের দায়িত্ব শেষ? কেন সেই সমস্ত সংস্থার কর্ণধারদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো কঠিন সাজা দেওয়া হবে না? কারণ সমস্ত কোম্পানির মালিকরা তো পরোক্ষে মানুষকে দূরারোগ্য অসুখ তথা মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তাই তাঁদের কেন কঠোর শাস্তি হবে না? এই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঠছে।

খাদ্যে ভেজাল রুখতে কী ব্যবস্থা? (government accountability)

মজার কথা হল আজ পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দলকে দেখা যায়নি যারা নির্বাচনে খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার বিষয়টিকে অন্যতম প্রধান ইস্যু করছে। এছাড়া পরিবেশ দূষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলি ব্যাপকভাবে প্রচার করছে, এমনটাও কী সাম্প্রতিক অতীতে দেখা গিয়েছে? সারা বছর ধরে দেশের নানা প্রান্তে এই সমস্ত ইস্যুতে প্রচুর গালভরা সেমিনার হয়। গুরুগম্ভীর আলোচনা হয় সেখানে। কিন্তু খাদ্যে ভেজাল বা ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে কোটি কোটি টাকার মুনাফা লুটেই চলেছেন একশ্রেণির ব্যবসায়ীরা। তবে কী এমনটাই চলবে? সদ্য দেশজুড়ে নতুন ফৌজদারি আইন চালু করেছে কেন্দ্র। সেখানে কী এই সংক্রান্ত কোনও কঠোর আইন রয়েছে? এই প্রশ্ন করছেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ।

কোথায় রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব? (harsh penalties, Masala Bonds Case)

সবচেয়ে বড় কথা শাসক ও বিরোধী মিলিয়ে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের বড় অংশকে এই ইস্যুতে কার্যত চুপ করে থাকতে দেখা যায়। কেন তাঁদের এই আচরণ তার যুতসই ব্যাখ্যাও নেই। অন্যদিকে হাতে গরম নানা রাজনৈতিক ইস্যুতে সারা বছর ধরে শাসক-বিরোধীর মধ্যে তরজা চলে। কিন্তু মানুষের প্রাণের ঝুঁকি যেখানে রয়েছে সেটা নিয়ে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা সরব হচ্ছেন কোথায়? শুধুমাত্র প্রোডাক্ট বাজেয়াপ্ত করলেই কী কেন্দ্রের দায়িত্ব শেষ? ওয়াকিবহাল মহল মনে করে অভিযুক্তদের কঠোর সাজা দিলে আগামী দিনে এমনটা করার সাহস কেউ পাবেন না। তাই এই বিষয়ে অবিলম্বে কঠোর আইন আনা উচিত বলে সেই অংশের মত।

 

আরও পড়ুন- 

একশ্রেণির কর্মবিমুখ সরকারি কর্মচারীদের ‘সিধে’ করতে পারবেন মমতা?

উপনির্বাচনে থাকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের ‘বজ্র আঁটুনি ফস্কা

বিজেপির পরবর্তী সভাপতি সুনীল বনশাল? জল্পনা তুঙ্গে

কোন কোন কারণে মানিকতলা উপনির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে

মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে গ্রেফতার যুবক! 

 

PoliticsAdulterated food and drinks are a serious health hazard. Will the government take strict action against the culprits?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *