ধরা পড়ে ইউক্রেনীয়দের সাহায্য পাচ্ছেন! কেঁদে ভাসাচ্ছেন রুশ সেনারা

ধরা পড়ে ইউক্রেনীয়দের সাহায্য পাচ্ছেন! কেঁদে ভাসাচ্ছেন রুশ সেনারা

কিয়েভ: ইউক্রেনকে আক্রমণ করেছে রাশিয়া। আজ প্রায় আট দিন হচ্ছে এই যুদ্ধের। ইউক্রেনের অধিকাংশ শহর কার্যত ধ্বংসাবশেসে পরিণত হয়েছে। একাধিক ইউক্রেনীয় সেনা এবং নাগরিকের মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু এই অবস্থাতেও মানবিকতা ভুলছে না ইউক্রেন! কয়েক জন রুশ সেনা ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করেছে। তবে ধরা পড়ার পর তাদেরকে কোনও ভাবে অত্যাচার করা হয়নি! উলটে, তাদের বার্গার, চা খেতে দিচ্ছে ইউক্রেনীয়রা। কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে পরিবারের সঙ্গে! শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্যি।

আরও পড়ুন- যুদ্ধে না জড়িয়েই ‘স্বৈরাচারী’ পুতিনকে শায়েস্তা করতে নয়া কৌশল নিল আমেরিকা

সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই দুটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, ইউক্রেনীয়দের হাতে ধরা পড়ার পর রুশ সেনারা পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছেন। চা, বার্গার জাতীয় খাবার খাচ্ছেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এমনই এক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেনাকে তাঁর মায়ের সঙ্গে ভিডিয়ো কল করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেই সেনা চা খেতে খেতে তার সঙ্গে কথা বলছে। আর কথা বলতে বলতেই কাঁদছে হাপুস নয়নে।

অন্যদিকে আরও একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ইউক্রেন সেনার হাতে বন্দি এক রুশ সেনা জওয়ানকে কোনও একটি দফতরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি নিজের মা’র সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছেন। মা, চিৎকার করে কাঁদছেন। এই দুই জওয়ানদেরই বলতে শোনা যায় যে, পুতিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে দেশেই। তারা নিজেরাও জানে না তারা এই যুদ্ধ কেন করছে। সেনারদের কথায়, রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যে যুদ্ধ চালাচ্ছেন তাতে তাদের সন্তানরাই হারিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন- ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুরদস্তুর বিমানবাহিনীর ব্যবহার করছে না রাশিয়া, পুতিনের সিদ্ধান্তে রহস্য

উল্লেখ্য, এর আগেই ইউক্রেন এবং অন্যান্য দেশের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, রাশিয়ান সেনাকে জোর করেই ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে পাঠানো হয়েছে। যারা যুদ্ধ করতে রাজি হয়নি তাদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। রাশিয়ান সেনার বহু জওয়ান যুদ্ধে লড়তে চাননি। কিন্তু পুতিন সরকার তাদের বাধ্য করেছে লড়তে। এমনকি ইউক্রেনে ‘চলমান শ্মশান’ নিয়ে যাওয়া হয়েছে যাতে মৃত জওয়ানদের পুড়িয়ে দেওয়া যায় সঙ্গে সঙ্গে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *