হাফলং : অশান্ত জর্জর মাইবাংয়ের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার এসেছেন সারা অসম ছাত্র সংস্থা (আসু)-র উপদেষ্টা সমুজ্জ্বল ভট্টচার্য-সহ ২৮টি জনজাতি সংগঠনের প্রতিনিধি। এদের মধ্যে রয়েছেন আবসু, ট্ৰাইবাল সংঘ, এডিএসইউ, ডিএসইউ, কারবি ছাত্ৰ সংস্থা, তিওয়া ছাত্ৰ সংস্থা, গরিয়া-মরিয়া দেশি পরিষদ, সনোয়াল-কছারি ছাত্ৰ সংস্থা, মদাহি সন্মিলনী প্রভৃতির প্রতিনিধি।
মাইবাঙে গত ২৫ জানুয়ারি সংগঠিত আন্দোলন এবং প্রতিবাদকারীর উপর গুলি চালনা ইত্যাদি সম্পর্কেও তাঁরা খোঁজখবর নেবেন বলে জানা গেছে। প্রতিনিধি দলের নেতারা মাইবাং এবং মাইগ্রেংডিসার নিহত দুই যুবক মিঠুন ডিব্রাগেডে ও প্রবান্ত হাকমসার বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পরিবারবর্গের সঙ্গে কথা বলে সান্ত্বনা দিয়েছেন।
এছাড়া প্ৰতিনিধি দল ডিমা হাসাওয়ের সচেতন জনসাধারণের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকেও বসেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এদিকে অসম প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মুকুল শর্মার নেতৃত্বে তিনজনের এক প্রতিনিধি দলও পুলিশের গুলিতে নিহত মিঠুন ডিব্রাগেডের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেথেন। তাঁরা কারফিউ কবলিত মাইবাং পরিদর্শন করে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের প্রতিনিধদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি হাফলং সরকারি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নিয়েছেন।
এদিকে পাহাড়ি জেলা শান্ত হয়ে উঠলে হাফলং শহরে আরও এক কোম্পানি সিআরপিএফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো জেলায় তিন কোম্পানি সিআরপিএফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন