মাধাখালী : পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মাধাখালি ফিড ব্যংকের উদ্যোগে একদিনের নোনাজলে মৎস্যচাষ সম্পর্কে সেমিনার অনুষ্ঠিত হল।বুধবার এই সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন পুর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ দেবব্রত দাস,পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সহ মৎস্য অধিকর্তা রামকৃষ্ণ সর্দার,এমপেডার আধিকারিক দেবাশিষ রায়।
এদিন জেলার মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ দেবব্রত দাস বলেন,"রাজ্যের মধ্যে পুর্ব মেদিনীপুর জেলা মৎস্য উৎপাদনে প্রথম স্থানে রয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না ব্লক মাছ উৎপাদনে রোল মডেল হয়েছে।মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে।বাগদা চাষ প্রায় উঠে গিয়েছে।এখন ভেনামী চাষের প্রতি ঝোঁক বাড়ছে চাষিদদের।উৎপাদনকে সুস্থির জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।"তিনি আরও বলেন,"সভ্যতার উন্নতির সাথে সাথে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মাছের উৎপাদন মুল্য কমাতে হবে।বিদেশে মাছ উৎপাদনের খরচ অনেক কম।
পাশাপাশি মৎস্যচাষিদের সচেতন হতে হবে।এই জেলায় ১৬ হাজার নোনাজলের মাছচাষি রয়েছে।কোষ্টাল একোয়া কালচার অথরিটি লাইসেন্স না করলে মৎস্যচাষিরা ব্যাংকিং লোন ও সরকারি ভর্তুকি পাবে না।"জেলার সহ মৎস্য অধিকর্তা রামকৃষ্ণ সর্দার বলেন,"এই জেলায় ৭১০ জন নোনাজলের মৎস্যচাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।জেলায় প্রায় সত্তর হাজার মৎস্য জীবির জীবন-জীবিকা জড়িয়ে আছে মৎস্য চাষের উপর।ভেনামী,বাগদা চাষে পুর্ব মেদিনীপুর এগিয়ে।মৎস্য দফতর থেকে চাষিদের বিকল্প মাছ চাষ করার জন্য বলা হচ্ছে।পাশাপাশি নোনাজলে মাছ চাষ করতে হলে চাষিদের বেশকিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।"এদিন সেমিনারে প্রায় কয়েক হাজার মৎস্যচাষি হাজির ছিলেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন