বাঁকুড়া : আসি যায় মাইনে পায়। কর্মসংস্কৃতি লাটে। স্কুলে শিক্ষকদের খামখেয়ালিপনায় পালন হয়নি নেতাজীর জন্মজয়ন্তী। এমনকি স্বরসতী পুজো হয়নি বলে অভিযোগ।
প্রতিবাদে স্কুলরুমে তিন শিক্ষককে তালাবন্দি করে রাখল এলাকার অভিভাবকরা। বুধবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের মাঝিডিহি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় সার্কেল ইন্সপেক্টর অফ স্কুল শিক্ষকদের উদ্ধার করতে গেলে তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষা দফতরের ওই আধিকারিক।
বাঁকুড়ার ছাতনা থানার মাঝিডিহি গ্রামে একমাত্র প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৮০ জন। প্রধান শিক্ষক সহ মোট শিক্ষক আছেন তিনজন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, শিক্ষকদের আচরন আসি যাই মাইনে পাই গোছের। তাদের দাবি শিক্ষকরা স্কুলে আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত অনিয়মিত। শিক্ষা দফতরের বেঁধে দেওয়া সময়ের নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করেন না। স্কুলে এলেও ক্লাস ফাঁকি দিয়ে চলে আড্ডা গল্প গুজব। ফলে কার্যত লাটে উঠেছে স্কুলের ১৮০ জন ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যৎ। বিষয়টি বারবার শিক্ষকদের জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি।" আর তাতে চাপা ক্ষোভ ফুঁসছিল এলাকাবাসী।
সম্প্রতি শিক্ষকদের খামখেয়ালিপনায় স্কুলে নেতাজী জন্ম জয়ন্তী পালন ও সরস্বতী পুজো না হওয়ায় সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়ে। বুধবার স্কুল খুলতেই তিন শিক্ষককে স্কুলের একটি ঘরে ঢুকিয়ে তালাবন্দি করে বিক্ষোভ শুরু করেন অভিভাবকরা। খবর পেয়ে স্কুলে আসেন ঝাঁটিপাহাড়ি সার্কেলের সার্কেল ইন্সপেক্টর অফ স্কুল। তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। পরে অভিযুক্ত শিক্ষকদের আশ্বাস দেওয়ায় বিক্ষোভ উঠে যায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন