নয়াদিল্লি : দেশের কৃষক, গ্রামীণ মানুষের কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে এবারের কেন্দ্রীয় বাজেট। এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার বলেন, দেশের ভিত্তি মজবুত করবে এই বাজেট। বাজেটকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক বান্ধব বাজেট হয়েছে। এছাড়াও বাজেটটি সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী এবং উন্নয়ন বান্ধব বাজেট হয়েছে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ থেকে ফাইবার অপটিক্স, সড়ক থেকে জাহাজ নির্মাণ শিল্প, যুবক থেকে বয়স্ক নাগরিক, গ্রামীণ ভারত থেকে আয়ুষ্মান ভারত, ডিজিট্যাল ইন্ডিয়া থেকে স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া এই বাজেট ভারতীয়দের আশা এবং আকাঙ্কাকে শক্তিশালী করবে। বাজেটটি দেশের আর্থিক বৃদ্ধিকে শক্তিশালী করবে। সমস্ত সেক্টরের প্রতি এই বাজেট সমান দৃষ্টি দিয়েছে। ‘ইজ অফ লিভিং’ এর যে ভাবনা বিস্তার লাভ করেছে উজ্বলা যোজনায় ।
এই যোজনা শুধুমাত্র গরিব মহিলাদের ধোয়া থেকেই মুক্তি দেবে তাই নয় পাশাপাশি তাদের সক্রিয়তা অনেক বেশি বড় মাধ্যম হয়ে উঠবে।
বাজেট প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, ভারসাম্যের বাজেট হয়েছে এটি। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য বিশেষ করে কৃষকদের এবং গরিবদের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এতে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। আমি প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাই। বাজেট প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, বিশ্বের সর্ববৃহদ স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প ঘোষণা করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে শুভেচ্ছা জানাই। গরিব এবং কৃষকদের উন্নয়নকল্পে এই বাজেট গ্রহণ করা হয়েছে। এতে করে তাদের আয় বাড়বে। লাভবান হবে মহিলা এবং বয়স্ক নাগরিকেরা। বাজেট সম্পর্কে অনন্ত কুমার জানিয়েছেন, এটি একটি পরিবর্তনশীল বাজেট। প্রত্যেকের জীবনেই এই বাজেট ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। কৃষক, সাধারণ মানুষ এবং সর্বোপরি গোটা দেশের জন্য এই বাজেট করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাজেটে ন্যাশনাল হেলথ প্রটেকশন স্কিমের জন্য ১২০০ কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। এর ফলে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আসবে। পশুপালন এবং মাছের ফলনের কাজে যুক্তদের কৃষক ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হবে। আলু, পেঁয়াজ, টমেটোর ফলন বাড়ানোর জন্য ৫০০ কোটি টাকা দেবে সরকার। এর ফলে সব্জি ও ফসলের রেকর্ড উৎপাদন হবে। ৮ কোটি গরিব মহিলাকে এলপিজি কানেকশন দেওয়া হবে। ইন টিগ্রেটেড বিএড কোর্স চালু করা হবে। ১৩ লক্ষ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষায় ডিজিটাজেশন উপর জোর দেওয়া হবে। আদিবাসী পড়ুয়াদের উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কৃষিতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১১ লক্ষ কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। দিল্লি হরিয়ানা বায়ুদূষণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ফসলের ন্যনূতম সহায়ক মূল্য দেড়গুণ বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। এর জন্য অর্থমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা হবে। কৃষকদের উন্নয়নের। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে বরাদ্দ ১৫শো কোটি বরাদ্দা করা হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন